ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

প্রেমের বিয়ের পর যৌতুক নিয়ে বিতণ্ডা, ট্রেনের নিচে ঝাঁপ কলেজছাত্রীর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী লোকাল ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে অনিমা রানী (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার সকালে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী সাকোয়া ব্রিজের রেললাইনের ওপর এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত অনিমা রানী উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বানিয়া পাড়া গ্রামের অনীল চন্দ্র মহন্তের মেয়ে। তিনি খোলাহটি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনিমা রানীর সঙ্গে পাশের গ্রামে শুশীল চন্দ্র মহন্তের ছেলে সাধন চন্দ্র মহন্তের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় এক মাস আগে তাদের অনৈতিক সম্পর্কের কারণে স্থানীয়রা আটক করে দুজনকে খোলাহাটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমানের কাছে নিয়ে যায়।

কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকসহ ওই দিনই কলেজকক্ষে মালাবদলের মধ্যে দিয়ে বিয়ের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করে। অভিভাবকের কাছে সামাজিক আনুষ্ঠানিকতাসহ বিয়ের আনুষঙ্গিক কাজ সেরে ফেলার কথা বলে তাদের দুজনকে পরিবারের হাতে তুলে দেন।

এরই মধ্যে দুই পরিবারের মধ্যে যৌতুক নিয়ে বাদানুবাদ সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার রাতে এ নিয়ে অনীল চন্দ্রের বাড়িতে একই বিষয়ে বাগ্বিতণ্ডা বাধে। বুধবার সকালে গ্রামের পাশের সাকোয়া ব্রিজের কাছে রেললাইনের ওপর পড়ে থাকা অনিমা রানীর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

তারা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে রংপুর রেলওয়ে থানার এসআই সিদ্দিক ও তার সঙ্গীও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মর্গে পাঠায়।

মেয়েটির বাবা অনীল চন্দ্র জানান, সামাজিকতা রক্ষায় বরপক্ষকে দুই লাখ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল দেয়া হয়েছে।

সাধন চন্দ্রের মা ভারতি রানী জানান, আগামী ২৮ অগ্রহায়ণে বিয়ের সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে অনীমা রানীকে ঘরে তোলার কথা ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রেমের বিয়ের পর যৌতুক নিয়ে বিতণ্ডা, ট্রেনের নিচে ঝাঁপ কলেজছাত্রীর

আপডেট সময় ১১:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী লোকাল ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে অনিমা রানী (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার সকালে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের পার্শ্ববর্তী সাকোয়া ব্রিজের রেললাইনের ওপর এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহত অনিমা রানী উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বানিয়া পাড়া গ্রামের অনীল চন্দ্র মহন্তের মেয়ে। তিনি খোলাহটি ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনিমা রানীর সঙ্গে পাশের গ্রামে শুশীল চন্দ্র মহন্তের ছেলে সাধন চন্দ্র মহন্তের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় এক মাস আগে তাদের অনৈতিক সম্পর্কের কারণে স্থানীয়রা আটক করে দুজনকে খোলাহাটি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমানের কাছে নিয়ে যায়।

কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকসহ ওই দিনই কলেজকক্ষে মালাবদলের মধ্যে দিয়ে বিয়ের প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন করে। অভিভাবকের কাছে সামাজিক আনুষ্ঠানিকতাসহ বিয়ের আনুষঙ্গিক কাজ সেরে ফেলার কথা বলে তাদের দুজনকে পরিবারের হাতে তুলে দেন।

এরই মধ্যে দুই পরিবারের মধ্যে যৌতুক নিয়ে বাদানুবাদ সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার রাতে এ নিয়ে অনীল চন্দ্রের বাড়িতে একই বিষয়ে বাগ্বিতণ্ডা বাধে। বুধবার সকালে গ্রামের পাশের সাকোয়া ব্রিজের কাছে রেললাইনের ওপর পড়ে থাকা অনিমা রানীর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

তারা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে রংপুর রেলওয়ে থানার এসআই সিদ্দিক ও তার সঙ্গীও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মর্গে পাঠায়।

মেয়েটির বাবা অনীল চন্দ্র জানান, সামাজিকতা রক্ষায় বরপক্ষকে দুই লাখ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল দেয়া হয়েছে।

সাধন চন্দ্রের মা ভারতি রানী জানান, আগামী ২৮ অগ্রহায়ণে বিয়ের সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে অনীমা রানীকে ঘরে তোলার কথা ছিল।