ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

বাংলাদেশকে আফ্রিদির অভিনন্দন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ দলের এমন পারফরম্যান্সে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। টুইটারে পাকিস্তানের এ কিংবদন্তি ক্রিকেটার লেখেন, অভিনন্দন বাংলাদেশ দলকে। তবে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সে আমি হতাশ। ব্যাটিং-বোলিং এবং ফিল্ডিং সব ক্ষেত্রেই তাদের পারফরম্যান্স নিম্নমানের ছিল। তবে তরুণরা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো খেলেছে। পাকিস্তানের এখন উচিত অনুশীলনে আরও বেশি মনোযোগ দেয়া এবং শক্তিশালীভাবে ফিরে আসা।

হারলেই এশিয়া কাপ থেকে বিদায়। এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে বুধবার আবুধাবিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ দল। অঘোষিত সেই সেমিফাইনালে মুশফিকুর রহিমের ৯৯ রান এবং মোস্তাফিজের অসাধারণ বোলিং পাকিস্তানকে ৩৭ রানে পরাজিত করে ফাইনালে চলে যায় বাংলাদেশ।

এদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে চোটাক্রান্ত সাকিব-তামিমকে ছাড়াই খেলতে নামে বাংলাদেশ দল। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে যায়।

সেই অবস্থা থেকে ১৪৪ রানের জুটি গড়ে দলকে উদ্ধার করেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন। ৬০ রান করে মিঠুন ফিরে গেলেও সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন মুশফিক। কিন্তু ভালো খেলা সত্ত্বেও ১ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

বাংলাদেশের করা ২৩৯ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মোস্তাফিজদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। সেই অবস্থা থেকে ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে উদ্ধার করেন ওপেনার ইমাম-উল হক ও শোয়েব মালিক।

রুবেল হোসেনের বলে মাশরাফি বিন মুর্তজার দুর্দান্ত ক্যাচে ৩০ রানে ফেরেন মালিক। এরপর ৯ রানের ব্যবধানে ফেরেন শাদাব খান। ৯৪ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তানে খেলায় ফেরান ইমাম-উল-হক ও আসিফ আলী। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ৭১ রানে জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। ভয়ঙ্কর হয়ে যাওয়া এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি ফেরান ৩০ রান করা আসিফ আলীকে।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে পাকিস্তানের উইকেট তুলে নেন টাইগাররা। দুর্দান্ত খেলতে থাকা পাকিস্তান ওপেনার ইমাম-উল-হককে ৮৩ রানে ফেরান মাহমুদউল্লাহ। হাসান আলী এবং মোহাম্মদ নওয়াজকে ফেরান কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ।

শেষ দিকে রাট রেট বেড়ে যাওয়ায় লেজের ব্যাটসম্যান শাহিন শাহ আফ্রিদি ও জুনায়েদ খান দলের পরাজয় এড়াতে পারেননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২০২ রানে থেমে যায় পাকিস্তান।

৩৭ রানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজ। পরপর দুই ম্যাচে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে অসাধারণ বোলিং করে যাওয়া মোস্তাফিজক দেখলে মনে হয় তিনি পুরনো সেই ছন্দেই আছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

বাংলাদেশকে আফ্রিদির অভিনন্দন

আপডেট সময় ০৯:১৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ দলের এমন পারফরম্যান্সে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। টুইটারে পাকিস্তানের এ কিংবদন্তি ক্রিকেটার লেখেন, অভিনন্দন বাংলাদেশ দলকে। তবে পাকিস্তানের পারফরম্যান্সে আমি হতাশ। ব্যাটিং-বোলিং এবং ফিল্ডিং সব ক্ষেত্রেই তাদের পারফরম্যান্স নিম্নমানের ছিল। তবে তরুণরা প্রত্যাশার চেয়েও ভালো খেলেছে। পাকিস্তানের এখন উচিত অনুশীলনে আরও বেশি মনোযোগ দেয়া এবং শক্তিশালীভাবে ফিরে আসা।

হারলেই এশিয়া কাপ থেকে বিদায়। এমন কঠিন সমীকরণের ম্যাচে বুধবার আবুধাবিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ দল। অঘোষিত সেই সেমিফাইনালে মুশফিকুর রহিমের ৯৯ রান এবং মোস্তাফিজের অসাধারণ বোলিং পাকিস্তানকে ৩৭ রানে পরাজিত করে ফাইনালে চলে যায় বাংলাদেশ।

এদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ের ম্যাচে চোটাক্রান্ত সাকিব-তামিমকে ছাড়াই খেলতে নামে বাংলাদেশ দল। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে যায়।

সেই অবস্থা থেকে ১৪৪ রানের জুটি গড়ে দলকে উদ্ধার করেন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিঠুন। ৬০ রান করে মিঠুন ফিরে গেলেও সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন মুশফিক। কিন্তু ভালো খেলা সত্ত্বেও ১ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।

বাংলাদেশের করা ২৩৯ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মোস্তাফিজদের বোলিং তোপের মুখে পড়ে ১৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। সেই অবস্থা থেকে ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে উদ্ধার করেন ওপেনার ইমাম-উল হক ও শোয়েব মালিক।

রুবেল হোসেনের বলে মাশরাফি বিন মুর্তজার দুর্দান্ত ক্যাচে ৩০ রানে ফেরেন মালিক। এরপর ৯ রানের ব্যবধানে ফেরেন শাদাব খান। ৯৪ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তানে খেলায় ফেরান ইমাম-উল-হক ও আসিফ আলী। ষষ্ঠ উইকেটে তারা ৭১ রানে জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। ভয়ঙ্কর হয়ে যাওয়া এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তিনি ফেরান ৩০ রান করা আসিফ আলীকে।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে পাকিস্তানের উইকেট তুলে নেন টাইগাররা। দুর্দান্ত খেলতে থাকা পাকিস্তান ওপেনার ইমাম-উল-হককে ৮৩ রানে ফেরান মাহমুদউল্লাহ। হাসান আলী এবং মোহাম্মদ নওয়াজকে ফেরান কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ।

শেষ দিকে রাট রেট বেড়ে যাওয়ায় লেজের ব্যাটসম্যান শাহিন শাহ আফ্রিদি ও জুনায়েদ খান দলের পরাজয় এড়াতে পারেননি। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২০২ রানে থেমে যায় পাকিস্তান।

৩৭ রানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজ। পরপর দুই ম্যাচে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের বিপক্ষে অসাধারণ বোলিং করে যাওয়া মোস্তাফিজক দেখলে মনে হয় তিনি পুরনো সেই ছন্দেই আছেন।