ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘পেপ্যাল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে: শফিকুর রহমান ২৫ এপ্রিল ঢাকায় সমাবেশের ডাক দিল জামায়াত হান্নান মাসউদ, আপনি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন নাকি: স্পিকার ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে তনু হত্যা মামলা: ১০ বছর পর সাবেক সেনাসদস্য গ্রেফতার, ৩ দিনের রিমান্ডে কর জরিপের একটা বড় প্রজেক্ট নিতে চাই: এনবিআর চেয়ারম্যান গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

পাঁচ বছর পর পাক-ভারত ফুটবল মহারণ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

এই গ্রহের যে প্রান্তেই আপনি থাকুন না কেন, ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট দ্বৈরথ হলেই আপনার চোখ সেদিকে চলে যাবে। পরস্পরের প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন দুই পড়শি ক্রিকেটযুদ্ধে নামলে উত্তেজনার রেণু ছড়িয়ে পড়ে। হকিযুদ্ধেও তাই।

কিন্তু ফুটবল? ফুটবলে তাদের দেখা-সাক্ষাৎ এত কম হয় এবং খেলাটায় দু’দলের এত বিস্তর ফারাক যে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার আঁচ পাওয়া যায় না। যেমন আজ সাফ সুজুকি কাপের শেষ চারে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পাঁচ বছর পর দেখা হচ্ছে তাদের। শেষবার ২০১৩ সালে নেপালে ভারত ১-০ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে।

তিন বছর নিষেধাজ্ঞায় থাকা পাকিস্তান ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ঢের পিছিয়ে। ভারত র‌্যাংকিংয়ে তাদের চেয়ে ১০৫তম স্থানে এগিয়ে। পরিসংখ্যানও ভারতের পক্ষে। সব মিলিয়ে ২৩ বার মুখোমুখি হয়েছে এ দু’দল। ভারতের জয় ১৪টি। মাত্র তিন ম্যাচে হার। বাকি ছয় ম্যাচ ড্র। সাফ ফুটবলে পাঁচবারের সাক্ষাতে ভারত জিতেছে তিনবার। পাকিস্তানের জয় মাত্র একটি। সেটি ২০০৩-এর সংস্করণে, ঢাকায়। একটি ম্যাচ ড্র হয়।

ক্রিকেটের মতো ফুটবল ওয়াঘা সীমান্তের দু’দিকের দেশের ক্রীড়ামোদীদের তেমন উদ্দীপ্ত করে না। উত্তেজনার খোরাক জোগায় না তেমন। তবু কাশ্মীর নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে হরহামেশা যখন যুদ্ধ-যুদ্ধ ভাব, তখন খেলার মাঠে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড় দিতে নারাজ।

এদিকে পাকিস্তানি ডিফেন্ডার জেশ রহমান সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই বিশেষ কিছু। আমার মনে হয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামলে ভারতের খেলোয়াড়দেরও একই অনুভূতি হয়। এ ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে প্রচণ্ড আবেগ।’

পাক অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে আমরা সমীহ করি। তাই বলে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা থেকে তা আমাদের বিচ্যুত করতে পারবে না।’

ভারতীয় কোচ স্টিফেন কন্সট্যান্টাইনের কাছে অবশ্য এটি আর দশটা ম্যাচের মতো। এর কোনো আলাদা মাহাত্ম্য নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে জ্বালানি সংকট নেই, অসাধু চক্র কৃত্রিম লাইনে বাজার অস্থির করছে:জ্বালানি মন্ত্রী

পাঁচ বছর পর পাক-ভারত ফুটবল মহারণ

আপডেট সময় ০৫:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

এই গ্রহের যে প্রান্তেই আপনি থাকুন না কেন, ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট দ্বৈরথ হলেই আপনার চোখ সেদিকে চলে যাবে। পরস্পরের প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন দুই পড়শি ক্রিকেটযুদ্ধে নামলে উত্তেজনার রেণু ছড়িয়ে পড়ে। হকিযুদ্ধেও তাই।

কিন্তু ফুটবল? ফুটবলে তাদের দেখা-সাক্ষাৎ এত কম হয় এবং খেলাটায় দু’দলের এত বিস্তর ফারাক যে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার আঁচ পাওয়া যায় না। যেমন আজ সাফ সুজুকি কাপের শেষ চারে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পাঁচ বছর পর দেখা হচ্ছে তাদের। শেষবার ২০১৩ সালে নেপালে ভারত ১-০ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে।

তিন বছর নিষেধাজ্ঞায় থাকা পাকিস্তান ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ঢের পিছিয়ে। ভারত র‌্যাংকিংয়ে তাদের চেয়ে ১০৫তম স্থানে এগিয়ে। পরিসংখ্যানও ভারতের পক্ষে। সব মিলিয়ে ২৩ বার মুখোমুখি হয়েছে এ দু’দল। ভারতের জয় ১৪টি। মাত্র তিন ম্যাচে হার। বাকি ছয় ম্যাচ ড্র। সাফ ফুটবলে পাঁচবারের সাক্ষাতে ভারত জিতেছে তিনবার। পাকিস্তানের জয় মাত্র একটি। সেটি ২০০৩-এর সংস্করণে, ঢাকায়। একটি ম্যাচ ড্র হয়।

ক্রিকেটের মতো ফুটবল ওয়াঘা সীমান্তের দু’দিকের দেশের ক্রীড়ামোদীদের তেমন উদ্দীপ্ত করে না। উত্তেজনার খোরাক জোগায় না তেমন। তবু কাশ্মীর নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে হরহামেশা যখন যুদ্ধ-যুদ্ধ ভাব, তখন খেলার মাঠে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড় দিতে নারাজ।

এদিকে পাকিস্তানি ডিফেন্ডার জেশ রহমান সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই বিশেষ কিছু। আমার মনে হয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামলে ভারতের খেলোয়াড়দেরও একই অনুভূতি হয়। এ ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে প্রচণ্ড আবেগ।’

পাক অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে আমরা সমীহ করি। তাই বলে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা থেকে তা আমাদের বিচ্যুত করতে পারবে না।’

ভারতীয় কোচ স্টিফেন কন্সট্যান্টাইনের কাছে অবশ্য এটি আর দশটা ম্যাচের মতো। এর কোনো আলাদা মাহাত্ম্য নেই।