ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পাঁচ বছর পর পাক-ভারত ফুটবল মহারণ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

এই গ্রহের যে প্রান্তেই আপনি থাকুন না কেন, ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট দ্বৈরথ হলেই আপনার চোখ সেদিকে চলে যাবে। পরস্পরের প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন দুই পড়শি ক্রিকেটযুদ্ধে নামলে উত্তেজনার রেণু ছড়িয়ে পড়ে। হকিযুদ্ধেও তাই।

কিন্তু ফুটবল? ফুটবলে তাদের দেখা-সাক্ষাৎ এত কম হয় এবং খেলাটায় দু’দলের এত বিস্তর ফারাক যে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার আঁচ পাওয়া যায় না। যেমন আজ সাফ সুজুকি কাপের শেষ চারে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পাঁচ বছর পর দেখা হচ্ছে তাদের। শেষবার ২০১৩ সালে নেপালে ভারত ১-০ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে।

তিন বছর নিষেধাজ্ঞায় থাকা পাকিস্তান ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ঢের পিছিয়ে। ভারত র‌্যাংকিংয়ে তাদের চেয়ে ১০৫তম স্থানে এগিয়ে। পরিসংখ্যানও ভারতের পক্ষে। সব মিলিয়ে ২৩ বার মুখোমুখি হয়েছে এ দু’দল। ভারতের জয় ১৪টি। মাত্র তিন ম্যাচে হার। বাকি ছয় ম্যাচ ড্র। সাফ ফুটবলে পাঁচবারের সাক্ষাতে ভারত জিতেছে তিনবার। পাকিস্তানের জয় মাত্র একটি। সেটি ২০০৩-এর সংস্করণে, ঢাকায়। একটি ম্যাচ ড্র হয়।

ক্রিকেটের মতো ফুটবল ওয়াঘা সীমান্তের দু’দিকের দেশের ক্রীড়ামোদীদের তেমন উদ্দীপ্ত করে না। উত্তেজনার খোরাক জোগায় না তেমন। তবু কাশ্মীর নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে হরহামেশা যখন যুদ্ধ-যুদ্ধ ভাব, তখন খেলার মাঠে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড় দিতে নারাজ।

এদিকে পাকিস্তানি ডিফেন্ডার জেশ রহমান সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই বিশেষ কিছু। আমার মনে হয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামলে ভারতের খেলোয়াড়দেরও একই অনুভূতি হয়। এ ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে প্রচণ্ড আবেগ।’

পাক অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে আমরা সমীহ করি। তাই বলে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা থেকে তা আমাদের বিচ্যুত করতে পারবে না।’

ভারতীয় কোচ স্টিফেন কন্সট্যান্টাইনের কাছে অবশ্য এটি আর দশটা ম্যাচের মতো। এর কোনো আলাদা মাহাত্ম্য নেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

পাঁচ বছর পর পাক-ভারত ফুটবল মহারণ

আপডেট সময় ০৫:২৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

এই গ্রহের যে প্রান্তেই আপনি থাকুন না কেন, ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট দ্বৈরথ হলেই আপনার চোখ সেদিকে চলে যাবে। পরস্পরের প্রতি বৈরী মনোভাবাপন্ন দুই পড়শি ক্রিকেটযুদ্ধে নামলে উত্তেজনার রেণু ছড়িয়ে পড়ে। হকিযুদ্ধেও তাই।

কিন্তু ফুটবল? ফুটবলে তাদের দেখা-সাক্ষাৎ এত কম হয় এবং খেলাটায় দু’দলের এত বিস্তর ফারাক যে, প্রতিদ্বন্দ্বিতার আঁচ পাওয়া যায় না। যেমন আজ সাফ সুজুকি কাপের শেষ চারে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পাঁচ বছর পর দেখা হচ্ছে তাদের। শেষবার ২০১৩ সালে নেপালে ভারত ১-০ গোলে হারিয়েছিল পাকিস্তানকে।

তিন বছর নিষেধাজ্ঞায় থাকা পাকিস্তান ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ঢের পিছিয়ে। ভারত র‌্যাংকিংয়ে তাদের চেয়ে ১০৫তম স্থানে এগিয়ে। পরিসংখ্যানও ভারতের পক্ষে। সব মিলিয়ে ২৩ বার মুখোমুখি হয়েছে এ দু’দল। ভারতের জয় ১৪টি। মাত্র তিন ম্যাচে হার। বাকি ছয় ম্যাচ ড্র। সাফ ফুটবলে পাঁচবারের সাক্ষাতে ভারত জিতেছে তিনবার। পাকিস্তানের জয় মাত্র একটি। সেটি ২০০৩-এর সংস্করণে, ঢাকায়। একটি ম্যাচ ড্র হয়।

ক্রিকেটের মতো ফুটবল ওয়াঘা সীমান্তের দু’দিকের দেশের ক্রীড়ামোদীদের তেমন উদ্দীপ্ত করে না। উত্তেজনার খোরাক জোগায় না তেমন। তবু কাশ্মীর নিয়ে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে হরহামেশা যখন যুদ্ধ-যুদ্ধ ভাব, তখন খেলার মাঠে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড় দিতে নারাজ।

এদিকে পাকিস্তানি ডিফেন্ডার জেশ রহমান সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে বলেছেন, ‘ভারতের বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই বিশেষ কিছু। আমার মনে হয়, পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামলে ভারতের খেলোয়াড়দেরও একই অনুভূতি হয়। এ ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে প্রচণ্ড আবেগ।’

পাক অধিনায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষকে আমরা সমীহ করি। তাই বলে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা থেকে তা আমাদের বিচ্যুত করতে পারবে না।’

ভারতীয় কোচ স্টিফেন কন্সট্যান্টাইনের কাছে অবশ্য এটি আর দশটা ম্যাচের মতো। এর কোনো আলাদা মাহাত্ম্য নেই।