ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সন্তানের স্কুল শুরু হলে খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আধুনিক যুগে শিশুর লেখাপড়া নিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়ে যায় অনেক আগে থেকেই। বয়স আড়াই-তিনের কোঠায় পৌঁছলেই স্কুলের খোঁজ শুরু করেন অভিভাবকরা। কিন্তু নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার সময় আপনার সন্তানের আদৌ কোনও সমস্যা হচ্ছে না তো?

আসুন জেনে নেই সন্তানের স্কুল শুরু হলে খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়।

কান্নাকাটি

প্রথম প্রথম স্কুলে যাওয়ার সময় অনেক শিশুই কান্নাকাটি করে। বাড়ির পরিবেশ, চেনা মানুষজনের মুখ ছেড়ে অনেকটা সময় একা থাকার ভয় তাকে তাড়া করে বেড়ায়। এই সময় শিশুকে সময় দিন। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। অনেক অভিভাবক এমন পরিস্থিতিতে কড়া শাসনে রেখে শিশুদের অভ্যাস বদলাতে চান। এমন ভুল করবেন না।

শিশুর বন্ধুত্ব

কিছু দিন কাটার পর শিশু স্কুলে অভ্যস্ত হতে শেখে, তার নতুন অনেক বন্ধুও হয়। নজর রাখুন সে সব বন্ধুত্ব যেন তাকে আনন্দ দেয়। আপনিও চিনে রাখুন তার নতুন বন্ধুদের। শিশুর জীবন শুরুর প্রাথমিক সময় থেকেই বন্ধুত্বের মর্যাদা ও প্রয়োজনীয়তা তাকে উপভোগ করতে দিন। সহজ হয়ে ওদের মতো করেই মিশতে দিন ওদের।

শিক্ষক-শিক্ষিকা

স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে ঠিক কেমন সম্পর্ক তার? কাউকে বিশেষ ভয় পায় কি? পেলে কেন পায়? জেনে রাখুন সব খুঁটিনাটি। ওর শিক্ষকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন আপনিও। তাতে সন্তানের পড়াশোনা, আচার-ব্যবহার, স্কুলজীবন সব কিছু নিয়েই একটা স্পষ্ট ধারণা থাকবে।

মানানসই পরিবেশ

শিশুর স্বভাবের সঙ্গে স্কুলের পরিবেশ মানানসই না হলে তা তার মনের উপর প্রভাব ফেলে। এই পরিবেশে ওকে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করুন, একান্তই সে তা না পারলে স্কুল বদলেও দেখতে পারেন। তবে সন্তান এ বিষয়ে কোথাও মানাতে না পারলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

টিফিন

স্কুলে গেলে একা একা টিফিন খেতে হয়। বেশির ভাগ শিশুই নিজে হাতে খেতে পারে না। অনেক প্লে স্কুলেই টিফিন খেতে সাহায্য করেন অশিক্ষক কর্মীরা। সন্তানের ক্ষেত্রে সেই সাহায্য কাজে আসছে কি না নজরে রাখুন। প্রয়োজনে স্কুলের সঙ্গে কথা বলুন। দরকারে টিফিনে এমন কিছু দিন, যা হাতে করে খেতে ওর অসুবিধা না হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সন্তানের স্কুল শুরু হলে খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়

আপডেট সময় ১০:৫২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আধুনিক যুগে শিশুর লেখাপড়া নিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়ে যায় অনেক আগে থেকেই। বয়স আড়াই-তিনের কোঠায় পৌঁছলেই স্কুলের খোঁজ শুরু করেন অভিভাবকরা। কিন্তু নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার সময় আপনার সন্তানের আদৌ কোনও সমস্যা হচ্ছে না তো?

আসুন জেনে নেই সন্তানের স্কুল শুরু হলে খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়।

কান্নাকাটি

প্রথম প্রথম স্কুলে যাওয়ার সময় অনেক শিশুই কান্নাকাটি করে। বাড়ির পরিবেশ, চেনা মানুষজনের মুখ ছেড়ে অনেকটা সময় একা থাকার ভয় তাকে তাড়া করে বেড়ায়। এই সময় শিশুকে সময় দিন। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। অনেক অভিভাবক এমন পরিস্থিতিতে কড়া শাসনে রেখে শিশুদের অভ্যাস বদলাতে চান। এমন ভুল করবেন না।

শিশুর বন্ধুত্ব

কিছু দিন কাটার পর শিশু স্কুলে অভ্যস্ত হতে শেখে, তার নতুন অনেক বন্ধুও হয়। নজর রাখুন সে সব বন্ধুত্ব যেন তাকে আনন্দ দেয়। আপনিও চিনে রাখুন তার নতুন বন্ধুদের। শিশুর জীবন শুরুর প্রাথমিক সময় থেকেই বন্ধুত্বের মর্যাদা ও প্রয়োজনীয়তা তাকে উপভোগ করতে দিন। সহজ হয়ে ওদের মতো করেই মিশতে দিন ওদের।

শিক্ষক-শিক্ষিকা

স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে ঠিক কেমন সম্পর্ক তার? কাউকে বিশেষ ভয় পায় কি? পেলে কেন পায়? জেনে রাখুন সব খুঁটিনাটি। ওর শিক্ষকদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন আপনিও। তাতে সন্তানের পড়াশোনা, আচার-ব্যবহার, স্কুলজীবন সব কিছু নিয়েই একটা স্পষ্ট ধারণা থাকবে।

মানানসই পরিবেশ

শিশুর স্বভাবের সঙ্গে স্কুলের পরিবেশ মানানসই না হলে তা তার মনের উপর প্রভাব ফেলে। এই পরিবেশে ওকে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করুন, একান্তই সে তা না পারলে স্কুল বদলেও দেখতে পারেন। তবে সন্তান এ বিষয়ে কোথাও মানাতে না পারলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

টিফিন

স্কুলে গেলে একা একা টিফিন খেতে হয়। বেশির ভাগ শিশুই নিজে হাতে খেতে পারে না। অনেক প্লে স্কুলেই টিফিন খেতে সাহায্য করেন অশিক্ষক কর্মীরা। সন্তানের ক্ষেত্রে সেই সাহায্য কাজে আসছে কি না নজরে রাখুন। প্রয়োজনে স্কুলের সঙ্গে কথা বলুন। দরকারে টিফিনে এমন কিছু দিন, যা হাতে করে খেতে ওর অসুবিধা না হয়।