ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:০০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।