ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:০০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।