ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:০০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।