ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

বান্দরবানে পাহাড় ধসে ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৮:০০:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানে পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আবারও ধসের আশংকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। সারাদেশের সঙ্গে এ পার্বত্য জেলাটির সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাতভর ভারি বৃষ্টির পর বুধবার দুপুরে বান্দরবানে কালাঘাটার বড়ুয়াপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বসতবাড়ির ওপর ধসে পড়ায় প্রতীমা রাণী দাস নামে এক নারী মারা যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি সরিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

অন্যদিকে লামা উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২টার সময় লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কালাইয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মো. হানিফ (৩০), তার স্ত্রী রেজিয়া বেগম (২৫) ও তাদের কন্যা সন্তান হালিমা আক্তার (৩)।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচাল ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, শহরের কালাঘাটা এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় এক মহিলার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের পাহাড় ধ্বসে নিখোজ হওয়া একই পরিবারের ৩ জনের লাশ স্থানীয় উদ্ধার করেছে।

সরই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কাশেম আলী জানান, সরই ইউনিয়নের কালাই ছড়া এলাকায় পাহাড় ধ্বসে মাটি চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন ও পৌর মেয়র মো. ইসলাম বেবীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান তারা।

বান্দরবান পৌরসভার মেয়র মো. আসলাম বেবী বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা রয়েছেন, তাদেরকে নিরাপদ অবস্থানে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যে কোনও পরিস্থিত জন্য আমাদের সকল টিম প্রস্তুত রয়েছেন।

গত দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে সাংগু নদীর পানি বেড়ে শহরের ইসলামপুর, আর্মিপাড়া ও শেরে বাংলা নগরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে পুলপাড়ায় একটি বেইলি ব্রিজ পানিতে ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে রাঙ্গামাটি এবং চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে গত ২১ মে বান্দনবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে পাহাড় ধসে ৩ জনের মৃত্যু হন। বান্দরবানে পাহাড়ের পাদদেশে এখনও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে ১৪৪টি পরিবার।