ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বগুড়ায় শিশুকন্যাকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে দুই বছরের শিশুকন্যা তানজিলাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মা নাদিয়া বেগম (২৫) ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

রোববার বিকালে উপজেলার চন্দনবাইশা ইউনিয়নের ঘুঘুমারি দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এ ঘটনার সঠিক কারণ বলতে পারেননি।

সারিয়াকান্দি থানার এসআই হারুনার রশিদ স্বজনদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, নাদিয়া মানসিক রোগে ভুগছিলেন। বিকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

তিনি জানান, ঘুঘুমারি দক্ষিণপাড়া গ্রামের তারাজুল ফকির ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। বাড়িতে তার স্ত্রী নাদিয়া বেগম দুই মেয়ে তানিয়া (৩) ও তানজিলাকে নিয়ে থাকেন।

এসআই জানান, রোববার সকালে শাশুড়ি ফুলেরা বেওয়া পার্শ্ববর্তী হাওড়াখালি গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। বিকাল ৩টার দিকে নাদিয়া ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। মেয়ে তানজিলাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। এরপর তিনি ঘরের তীরের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। প্রতিবেশীরা টের পেয়ে থানায় খবর দেন।

শাশুড়ি ফুলেরা বেওয়া ও প্রতিবেশীরা জানান, নাদিয়া মানসিক রোগে ভুগছিলেন। সন্তানদের দেখতে পারতো না। সকালে ফুলেরা তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তানিয়া প্রতিবেশির বাড়িতে ছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ‘দ্বিতীয় বা তৃতীয় সারির দল’ বলে কিছু নেই: শরিফুল

বগুড়ায় শিশুকন্যাকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

আপডেট সময় ১০:০২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে দুই বছরের শিশুকন্যা তানজিলাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মা নাদিয়া বেগম (২৫) ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

রোববার বিকালে উপজেলার চন্দনবাইশা ইউনিয়নের ঘুঘুমারি দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে কেউ এ ঘটনার সঠিক কারণ বলতে পারেননি।

সারিয়াকান্দি থানার এসআই হারুনার রশিদ স্বজনদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, নাদিয়া মানসিক রোগে ভুগছিলেন। বিকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

তিনি জানান, ঘুঘুমারি দক্ষিণপাড়া গ্রামের তারাজুল ফকির ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন। বাড়িতে তার স্ত্রী নাদিয়া বেগম দুই মেয়ে তানিয়া (৩) ও তানজিলাকে নিয়ে থাকেন।

এসআই জানান, রোববার সকালে শাশুড়ি ফুলেরা বেওয়া পার্শ্ববর্তী হাওড়াখালি গ্রামে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যান। বিকাল ৩টার দিকে নাদিয়া ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। মেয়ে তানজিলাকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। এরপর তিনি ঘরের তীরের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। প্রতিবেশীরা টের পেয়ে থানায় খবর দেন।

শাশুড়ি ফুলেরা বেওয়া ও প্রতিবেশীরা জানান, নাদিয়া মানসিক রোগে ভুগছিলেন। সন্তানদের দেখতে পারতো না। সকালে ফুলেরা তার মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তানিয়া প্রতিবেশির বাড়িতে ছিল।