ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ব্রাশফায়ারে নিহত ইউপিডিএফের বিদ্রোহী প্রধানসহ ৫

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গুলিতে নিহত রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমার শেষকৃত্যে যাওয়ার পথে ব্রাশফায়ারে নিহত হয়েছেন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) প্রধান তপনজ্যোতি চাকমাসহ পাঁচজন।

নিহত অন্য চারজন হলেন মহালছড়ির সেতু লাল চাকমা (৪০), কনক চাকমা (৩৮) ও সুজন চাকমা (৩০) এবং খাগড়াছড়ির পানছড়ি নিবাসী মাইক্রোবাসচালক বাঙালি সজীব (৩৪)।

এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। এর মধ্যে দিগন্ত চাকমা (৩০), অর্চিন চাকমা (২৮), অর্জুন চাকমা (৩০) ও মিহির চাকমার (২৮) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া জীবন্ত চাকমা (৩০), শান্তিরঞ্জন চাকমা (৩৪) ও প্রীতি কুমার চাকমা (৩৮) খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নানিয়ারচরের বেতছড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নানিয়ারচরের ওসি আবদুল লতিফ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হতাহতরা একটি মাইক্রোবাসে করে আগের দিন গুলিতে নিহত নানিয়ারচরের উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার শেষকৃত্যে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।

মাইক্রোবাসটি রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সীমান্তের কাছে বেতছড়ি এলাকায় পৌঁছলে সেখান আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।

হামলাকারী প্রথমে মাইক্রোবাসের বাঙালি চালক সজীবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। চালক গুলিবিদ্ধ হলে গাড়িটি উল্টে যায়। এর পর দুর্বৃত্তরা আরোহীদের লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) প্রধান তপনজ্যোতি চাকমা ওরফে বর্মা, কনক চাকমা ও সুজন চাকমা নিহত হন। তাদের লাশ রাঙামাটি সদর হাসপাতালে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাকিদের খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চালক সজীব ও সেতু লাল চাকমা মারা যান। এ হাসপাতালেই তাদের লাশ রাখা হয়েছে।

নানিয়ারচরের ওসি আবদুল লতিফ জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলে এবং গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চালক ও আরও একজন খাগড়াছড়ি জেলা হাসপাতালে মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক জনসংহতি সমিতি থেকে বেরিয়ে গঠিত জনসংহতি সমিতি এমএন-লারমার প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ব্রাশফায়ারে নিহত ইউপিডিএফের বিদ্রোহী প্রধানসহ ৫

আপডেট সময় ০৩:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গুলিতে নিহত রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমার শেষকৃত্যে যাওয়ার পথে ব্রাশফায়ারে নিহত হয়েছেন ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) প্রধান তপনজ্যোতি চাকমাসহ পাঁচজন।

নিহত অন্য চারজন হলেন মহালছড়ির সেতু লাল চাকমা (৪০), কনক চাকমা (৩৮) ও সুজন চাকমা (৩০) এবং খাগড়াছড়ির পানছড়ি নিবাসী মাইক্রোবাসচালক বাঙালি সজীব (৩৪)।

এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। এর মধ্যে দিগন্ত চাকমা (৩০), অর্চিন চাকমা (২৮), অর্জুন চাকমা (৩০) ও মিহির চাকমার (২৮) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া জীবন্ত চাকমা (৩০), শান্তিরঞ্জন চাকমা (৩৪) ও প্রীতি কুমার চাকমা (৩৮) খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নানিয়ারচরের বেতছড়ি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নানিয়ারচরের ওসি আবদুল লতিফ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হতাহতরা একটি মাইক্রোবাসে করে আগের দিন গুলিতে নিহত নানিয়ারচরের উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমার শেষকৃত্যে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।

মাইক্রোবাসটি রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সীমান্তের কাছে বেতছড়ি এলাকায় পৌঁছলে সেখান আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়।

হামলাকারী প্রথমে মাইক্রোবাসের বাঙালি চালক সজীবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। চালক গুলিবিদ্ধ হলে গাড়িটি উল্টে যায়। এর পর দুর্বৃত্তরা আরোহীদের লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) প্রধান তপনজ্যোতি চাকমা ওরফে বর্মা, কনক চাকমা ও সুজন চাকমা নিহত হন। তাদের লাশ রাঙামাটি সদর হাসপাতালে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাকিদের খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে চালক সজীব ও সেতু লাল চাকমা মারা যান। এ হাসপাতালেই তাদের লাশ রাখা হয়েছে।

নানিয়ারচরের ওসি আবদুল লতিফ জানান, হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে তিনজন ঘটনাস্থলে এবং গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চালক ও আরও একজন খাগড়াছড়ি জেলা হাসপাতালে মারা গেছেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক জনসংহতি সমিতি থেকে বেরিয়ে গঠিত জনসংহতি সমিতি এমএন-লারমার প্রতিষ্ঠাতা সহসভাপতি ছিলেন।