ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ অচেতন অবস্থায় রংপুরে উদ্ধার গাইবান্ধা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া সরকারের উচিত নয়: আমির খসরু আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে আনতে আন্তর্জাতিক মহলের কোনো চাপ নেই: শফিকুল আলম আমরা এখন আর আইসিইউতে নেই, কেবিনে উঠে এসেছি: অর্থ উপদেষ্টা ‘বন্দি থাকাকালে বেগম জিয়ার পক্ষে কথা বলার কেউই ছিলেন না’:আসিফ নজরুল নোয়াখালীকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ মিশনে নিয়োগ

উল্লাসে মেতেছে কলকাতা, ফিল্ডিং নিয়ে ক্ষুব্ধ কোহলি

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রবিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পরে তাঁর দলের যা অবস্থা দাঁড়াল, তাতে দেখা যাচ্ছে পরের সাতটি ম্যাচের মধ্যে ছ’টিতেই জিততে হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে। কিন্তু দলের ক্রিকেটারদের যা পারফরম্যান্স দেখা গেল রবিবার, বিশেষ করে বোলিং ও ফিল্ডিং বিভাগে, তার পর মানসিকতা ও দক্ষতায় বদল না আনলে তা সম্ভব না বলে মনে করেন তাঁদের অধিনায়ক বিরাট কোহালি।

রবিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচের পরে বিরাট বলেন, ‘‘১৭৫ তুলেও না জেতার কারণ নেই। আসলে আমরা আজ যা ফিল্ডিং করেছি, তাতে আজ জেতার কথাই নয়। আমাদের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। ছ’টা ম্যাচ জিততেই হবে। এখন আমাদের সব ম্যাচই সেমিফাইনাল। মানসিকতা, পারফরম্যান্সে আমূল বদল আনতে হবে। না হলে জয়ে ফেরা সম্ভব নয়।’’

বিরাটদের শিবির যখন হতাশায় ডুবে, তখন কেকেআর শিবিরে জয়ে ফেরার আনন্দ। হোটেলে ফিরে আন্দ্রে রাসেলের জন্মদিনও পালন করা হয় এ দিন। তাঁকে কেক মাখিয়ে শ্যাম্পেনে স্নান করিয়ে দেন তাঁর সতীর্থরা। তার আগে ম্যাচ জেতার পুরস্কার নিয়ে অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক বলেন, ‘‘দলের এগারোজনের উপর আস্থা রেখেই এই ম্যাচে নেমেছিলাম। তারই ফল পেলাম। দলে বেশি পরিবর্তন করার পক্ষপাতি কখনওই নই আমি।’’

যাঁর ইনিংসে ভর করে রবিবার ম্যাচ জিতল কেকেআর, সেই ক্রিস লিন বলেন, ‘‘অনায়াসে রান তুলতে পারছিলাম না। সে রকম উইকেটও ছিল না আজ। তাই সুইপ শটই বেছে নিই বাউন্ডারির বাইরে থেকে রান তোলার জন্য। যে কোনও পরিস্থিতিই আমরা সামলে নিতে পারছি আমরা, এটাই বড় ব্যাপার।’’ কেকেআরে যোগ দিয়েছিলেন চোট সারিয়ে। এখন নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বলেন, ‘‘খুব চাপ যাচ্ছে। প্রচুর ঘুরতে হচ্ছে। তবু শরীরটাকে ঠিক রাখতে হচ্ছে। দলের সাপোর্ট স্টাফ খুব ভাল বলেই তা সম্ভব হচ্ছে।’’

তরুণ ক্রিকেটারদের প্রশংসা করে কার্তিক বলেন, ‘‘আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ ছেলেদের যথেষ্ট সময় দেওয়ার চেষ্টা করি। ওরা খুব ভাল শিখছে। বিশ্বকাপ জেতার পরেও ওরা কিন্তু কেউ চাপে পড়েনি। এটা শিখিয়েছে রাহুল দ্রাবিড়। রাহুলের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ কোচ থাকার সুবিধা তো এটাই।’’ নাইটদের আর এক তারকা সুনীল নারাইনের মতে, ‘‘মিডল অর্ডারকে সুবিধাজনক একটা মঞ্চ তৈরি করে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। চাপ কম থাকলে দায়িত্বটা ঠিকমতো পালন করতে পারে ওরা। এতেই জয় আসে।’’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার কেবল চার আসামি নয়, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্কের বিচার চাই: ইনকিলাব মঞ্চ

উল্লাসে মেতেছে কলকাতা, ফিল্ডিং নিয়ে ক্ষুব্ধ কোহলি

আপডেট সময় ১২:৪০:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

রবিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে হারের পরে তাঁর দলের যা অবস্থা দাঁড়াল, তাতে দেখা যাচ্ছে পরের সাতটি ম্যাচের মধ্যে ছ’টিতেই জিততে হবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে। কিন্তু দলের ক্রিকেটারদের যা পারফরম্যান্স দেখা গেল রবিবার, বিশেষ করে বোলিং ও ফিল্ডিং বিভাগে, তার পর মানসিকতা ও দক্ষতায় বদল না আনলে তা সম্ভব না বলে মনে করেন তাঁদের অধিনায়ক বিরাট কোহালি।

রবিবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচের পরে বিরাট বলেন, ‘‘১৭৫ তুলেও না জেতার কারণ নেই। আসলে আমরা আজ যা ফিল্ডিং করেছি, তাতে আজ জেতার কথাই নয়। আমাদের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। ছ’টা ম্যাচ জিততেই হবে। এখন আমাদের সব ম্যাচই সেমিফাইনাল। মানসিকতা, পারফরম্যান্সে আমূল বদল আনতে হবে। না হলে জয়ে ফেরা সম্ভব নয়।’’

বিরাটদের শিবির যখন হতাশায় ডুবে, তখন কেকেআর শিবিরে জয়ে ফেরার আনন্দ। হোটেলে ফিরে আন্দ্রে রাসেলের জন্মদিনও পালন করা হয় এ দিন। তাঁকে কেক মাখিয়ে শ্যাম্পেনে স্নান করিয়ে দেন তাঁর সতীর্থরা। তার আগে ম্যাচ জেতার পুরস্কার নিয়ে অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক বলেন, ‘‘দলের এগারোজনের উপর আস্থা রেখেই এই ম্যাচে নেমেছিলাম। তারই ফল পেলাম। দলে বেশি পরিবর্তন করার পক্ষপাতি কখনওই নই আমি।’’

যাঁর ইনিংসে ভর করে রবিবার ম্যাচ জিতল কেকেআর, সেই ক্রিস লিন বলেন, ‘‘অনায়াসে রান তুলতে পারছিলাম না। সে রকম উইকেটও ছিল না আজ। তাই সুইপ শটই বেছে নিই বাউন্ডারির বাইরে থেকে রান তোলার জন্য। যে কোনও পরিস্থিতিই আমরা সামলে নিতে পারছি আমরা, এটাই বড় ব্যাপার।’’ কেকেআরে যোগ দিয়েছিলেন চোট সারিয়ে। এখন নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে বলেন, ‘‘খুব চাপ যাচ্ছে। প্রচুর ঘুরতে হচ্ছে। তবু শরীরটাকে ঠিক রাখতে হচ্ছে। দলের সাপোর্ট স্টাফ খুব ভাল বলেই তা সম্ভব হচ্ছে।’’

তরুণ ক্রিকেটারদের প্রশংসা করে কার্তিক বলেন, ‘‘আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ ছেলেদের যথেষ্ট সময় দেওয়ার চেষ্টা করি। ওরা খুব ভাল শিখছে। বিশ্বকাপ জেতার পরেও ওরা কিন্তু কেউ চাপে পড়েনি। এটা শিখিয়েছে রাহুল দ্রাবিড়। রাহুলের মতো অনূর্ধ্ব-১৯ কোচ থাকার সুবিধা তো এটাই।’’ নাইটদের আর এক তারকা সুনীল নারাইনের মতে, ‘‘মিডল অর্ডারকে সুবিধাজনক একটা মঞ্চ তৈরি করে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। চাপ কম থাকলে দায়িত্বটা ঠিকমতো পালন করতে পারে ওরা। এতেই জয় আসে।’’