ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

পদ্মায় রেল প্রকল্পে চীনের সঙ্গে ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সঙ্গে ২২ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা সমপরিমাণ ২৭৬ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।

তবে প্রকল্পটির মোট ব্যয় হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন থেকে সরকার ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ হিসেবে পাওয়ার আশা করেছিল। তবে শেষমেশ কিছু কম অর্থ পাওয়া যাবে। ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার বদলে এখন দিতে হবে ১৩ হাজার কোটি টাকা।

শুক্রবার সকালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে এই চুক্তি করার কথা জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহিদুল হক ও চীনের এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুন পিং চুক্তিতে সই করেন।

এই চুক্তি করতে জাহিদুল হকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল এখন চীনে অবস্থান করছে।

দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগে দেশের সবচেয়ে বড় সেতু প্রকল্প পদ্মায় যান চলাচলের পাশাপাশি রেলপথও চালু করার প্রস্তুতি আছে সরকারের। এই প্রকল্পে চীনা অর্থায়নের আশা করা হচ্ছিল শুরু থেকেই। তবে নানা কারণে চুক্তি সই বিলম্বিত হওয়ায় সেতু উদ্বোধনের সময় রেল চালু হবে কি না, এ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।

এই চুক্তি হওয়ার পরও সেতু উদ্বোধনের দিন রেলপথ চালু হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই সেতু চালুর লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, সেতুর উদ্বোধন কিছুটা পেছাতে পারে, তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দাবি করেছেন, এমনটি হবে না। তাদের লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ শেষ করতে আত্মবিশ্বাসী তারা।

অবশ্য রেলসহ পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ শেষ করতে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

পদ্মাসেতুতে রেল চালু হলে ঢাকা থেকে ফরিদপুর ও নড়াইল হয়ে যশোর পর্যন্ত চলবে রেল।

এই প্রকল্প নিয়ে চীনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল দুই বছর আগেই। ওই বছর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় এই প্রকল্পে অর্থায়নে সমঝোতা চুক্তি হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে প্রথম ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার

পদ্মায় রেল প্রকল্পে চীনের সঙ্গে ২২ হাজার কোটি টাকার চুক্তি

আপডেট সময় ১০:১৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পদ্মা রেলসংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সঙ্গে ২২ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা সমপরিমাণ ২৭৬ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।

তবে প্রকল্পটির মোট ব্যয় হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন থেকে সরকার ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ হিসেবে পাওয়ার আশা করেছিল। তবে শেষমেশ কিছু কম অর্থ পাওয়া যাবে। ফলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার বদলে এখন দিতে হবে ১৩ হাজার কোটি টাকা।

শুক্রবার সকালে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে এই চুক্তি করার কথা জানিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহিদুল হক ও চীনের এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট সুন পিং চুক্তিতে সই করেন।

এই চুক্তি করতে জাহিদুল হকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল এখন চীনে অবস্থান করছে।

দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগে দেশের সবচেয়ে বড় সেতু প্রকল্প পদ্মায় যান চলাচলের পাশাপাশি রেলপথও চালু করার প্রস্তুতি আছে সরকারের। এই প্রকল্পে চীনা অর্থায়নের আশা করা হচ্ছিল শুরু থেকেই। তবে নানা কারণে চুক্তি সই বিলম্বিত হওয়ায় সেতু উদ্বোধনের সময় রেল চালু হবে কি না, এ নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল।

এই চুক্তি হওয়ার পরও সেতু উদ্বোধনের দিন রেলপথ চালু হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই সেতু চালুর লক্ষ্য নিয়ে আগাচ্ছে সরকার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, সেতুর উদ্বোধন কিছুটা পেছাতে পারে, তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দাবি করেছেন, এমনটি হবে না। তাদের লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ শেষ করতে আত্মবিশ্বাসী তারা।

অবশ্য রেলসহ পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ শেষ করতে ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে।

পদ্মাসেতুতে রেল চালু হলে ঢাকা থেকে ফরিদপুর ও নড়াইল হয়ে যশোর পর্যন্ত চলবে রেল।

এই প্রকল্প নিয়ে চীনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল দুই বছর আগেই। ওই বছর চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ঢাকা সফরের সময় এই প্রকল্পে অর্থায়নে সমঝোতা চুক্তি হয়।