ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গা নিধন অপরাধের তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যাপক অনুসন্ধানে নেমেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করতে এসব তথ্যপ্রমাণ ব্যবহার করা হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে চলা এই অনুসন্ধানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করা এক হাজার রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মার্কিন কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। ২০০৪ সালে সুদানের দারফুরে নৃশংসতার বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন ফরেনসিক তদন্তের মতো করে এই অনুসন্ধান চালানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্র যেটিকে গণহত্যা আখ্যায়িত করে সুদান সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। মার্চ ও এপ্রিলে আন্তর্জাতিক আইন ও ফৌজদারি বিচারের আওতায় অন্তত ২০ জন তদন্তকারী এ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন।

ওয়াশিংটনে এসব তথ্য-উপত্তের বিশ্লেষণ করা হবে এবং একটি প্রতিবেদনের আকারে তথ্যপ্রমাণ মে ও জুনের প্রথম দিকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতাদের কাছে পাঠানো হবে।

এদিকে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়ানো হবে।

চলতি সপ্তাহে এ সম্পর্কিত ঘোষণা আসছে বলে জানিয়েছেন ইইউর কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইয়াঙ্গুনের আরও কয়েকজন সেনাকর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

গত বছর আগস্টের শেষ দিকে শুরু হওয়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে মারাত্মক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ইউরোপীয় ইউনিয়নের।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়ন থেকে বাঁচতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

দেশটির ওপর ইইউর চলমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এপ্রিলে শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যেই সেই নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা। তারা বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দেয়া সীমিত প্রশিক্ষকেও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গা নিধন অপরাধের তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা

আপডেট সময় ০২:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যাপক অনুসন্ধানে নেমেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করতে এসব তথ্যপ্রমাণ ব্যবহার করা হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে চলা এই অনুসন্ধানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করা এক হাজার রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মার্কিন কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। ২০০৪ সালে সুদানের দারফুরে নৃশংসতার বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন ফরেনসিক তদন্তের মতো করে এই অনুসন্ধান চালানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্র যেটিকে গণহত্যা আখ্যায়িত করে সুদান সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। মার্চ ও এপ্রিলে আন্তর্জাতিক আইন ও ফৌজদারি বিচারের আওতায় অন্তত ২০ জন তদন্তকারী এ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন।

ওয়াশিংটনে এসব তথ্য-উপত্তের বিশ্লেষণ করা হবে এবং একটি প্রতিবেদনের আকারে তথ্যপ্রমাণ মে ও জুনের প্রথম দিকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতাদের কাছে পাঠানো হবে।

এদিকে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়ানো হবে।

চলতি সপ্তাহে এ সম্পর্কিত ঘোষণা আসছে বলে জানিয়েছেন ইইউর কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইয়াঙ্গুনের আরও কয়েকজন সেনাকর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

গত বছর আগস্টের শেষ দিকে শুরু হওয়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে মারাত্মক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ইউরোপীয় ইউনিয়নের।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়ন থেকে বাঁচতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

দেশটির ওপর ইইউর চলমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এপ্রিলে শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যেই সেই নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা। তারা বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দেয়া সীমিত প্রশিক্ষকেও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।