ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

রোহিঙ্গা নিধন অপরাধের তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যাপক অনুসন্ধানে নেমেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করতে এসব তথ্যপ্রমাণ ব্যবহার করা হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে চলা এই অনুসন্ধানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করা এক হাজার রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মার্কিন কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। ২০০৪ সালে সুদানের দারফুরে নৃশংসতার বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন ফরেনসিক তদন্তের মতো করে এই অনুসন্ধান চালানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্র যেটিকে গণহত্যা আখ্যায়িত করে সুদান সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। মার্চ ও এপ্রিলে আন্তর্জাতিক আইন ও ফৌজদারি বিচারের আওতায় অন্তত ২০ জন তদন্তকারী এ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন।

ওয়াশিংটনে এসব তথ্য-উপত্তের বিশ্লেষণ করা হবে এবং একটি প্রতিবেদনের আকারে তথ্যপ্রমাণ মে ও জুনের প্রথম দিকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতাদের কাছে পাঠানো হবে।

এদিকে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়ানো হবে।

চলতি সপ্তাহে এ সম্পর্কিত ঘোষণা আসছে বলে জানিয়েছেন ইইউর কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইয়াঙ্গুনের আরও কয়েকজন সেনাকর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

গত বছর আগস্টের শেষ দিকে শুরু হওয়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে মারাত্মক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ইউরোপীয় ইউনিয়নের।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়ন থেকে বাঁচতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

দেশটির ওপর ইইউর চলমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এপ্রিলে শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যেই সেই নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা। তারা বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দেয়া সীমিত প্রশিক্ষকেও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা নিধন অপরাধের তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা

আপডেট সময় ০২:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ, নিপীড়ন ও অন্যান্য নৃশংস অপরাধের তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যাপক অনুসন্ধানে নেমেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করতে এসব তথ্যপ্রমাণ ব্যবহার করা হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে চলা এই অনুসন্ধানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে অবস্থান করা এক হাজার রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মার্কিন কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। ২০০৪ সালে সুদানের দারফুরে নৃশংসতার বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন ফরেনসিক তদন্তের মতো করে এই অনুসন্ধান চালানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্র যেটিকে গণহত্যা আখ্যায়িত করে সুদান সরকারের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। মার্চ ও এপ্রিলে আন্তর্জাতিক আইন ও ফৌজদারি বিচারের আওতায় অন্তত ২০ জন তদন্তকারী এ সাক্ষাৎকার গ্রহণ করবেন।

ওয়াশিংটনে এসব তথ্য-উপত্তের বিশ্লেষণ করা হবে এবং একটি প্রতিবেদনের আকারে তথ্যপ্রমাণ মে ও জুনের প্রথম দিকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতাদের কাছে পাঠানো হবে।

এদিকে রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরও এক বছর বাড়ানো হবে।

চলতি সপ্তাহে এ সম্পর্কিত ঘোষণা আসছে বলে জানিয়েছেন ইইউর কূটনীতিক ও কর্মকর্তারা। এ ছাড়া ইয়াঙ্গুনের আরও কয়েকজন সেনাকর্মকর্তার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।

গত বছর আগস্টের শেষ দিকে শুরু হওয়া রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানে মারাত্মক ও পরিকল্পিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ ইউরোপীয় ইউনিয়নের।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়ন থেকে বাঁচতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।

দেশটির ওপর ইইউর চলমান অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এপ্রিলে শেষ হয়ে যাবে। এর মধ্যেই সেই নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা। তারা বলেছেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে দেয়া সীমিত প্রশিক্ষকেও এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।