ঢাকা ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু

বিড়ি-সিগারেটের ওপর কর বাড়ালে কমবে অকাল মৃত্যু: নাটাব-বাটা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিড়ি সিগারেটের ওপর করহার বাড়ালে ৬ দশমিক ৪২ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ধূমপান ছেড়ে দেবে। পাশাপাশি কমবে ২ দশমিক ০১ শতাংশ মানুষের অকাল মৃত্যু। এমনকি বাড়বে রাজস্বের পরিমাণ, অর্জিত হবে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘এসডিজি অর্জনে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কর বৃদ্ধির গুরুত্ব’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক। সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) সভাপতি ও বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের (বাটা) উপদেষ্টা মোজাফফর হোসেন পল্টু।

এ সময় বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ রূহুল কুদ্দুস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল হামিদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্র্টার্স ফোরামের সহসভাপতি নূরুল ইসলাম হাসিব, দি ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিবছর ধূমপানের কারণে ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। জিডিপির ১ দশমিক ৪ শতাংশ টাকা খরচ হচ্ছে শুধু তামাকের ব্যবহারে সৃষ্ট রোগের চিকিৎসায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ এসডিজির লক্ষ্য পূরণ সহায়ক। কিন্তু আমাদের তামাক কর কাঠামো খুবই দুর্বল। তামাকের ওপর সঠিকভাবে কর আরোপ করতে পারলে তামাক থেকে ১০০ বিলিয়ন টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, বিগত কয়েক বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কয়েকগুণ বাড়লেও তামাকজাত দ্রব্যের দাম সে হারে বাড়েনি। বরং মুদ্রাস্ফীতি ও মানুষের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তামাকের প্রকৃত মূল্য কমেছে। সুতরাং তামাকজাত দ্রব্যের চাহিদা কমাতে অন্যান্য পদক্ষেপের পাশাপাশি এর প্রকৃত মূল্য ও তামাকজাত দ্রব্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি করে এটি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

বিড়ি-সিগারেটের ওপর কর বাড়ালে কমবে অকাল মৃত্যু: নাটাব-বাটা

আপডেট সময় ০৯:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিড়ি সিগারেটের ওপর করহার বাড়ালে ৬ দশমিক ৪২ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ধূমপান ছেড়ে দেবে। পাশাপাশি কমবে ২ দশমিক ০১ শতাংশ মানুষের অকাল মৃত্যু। এমনকি বাড়বে রাজস্বের পরিমাণ, অর্জিত হবে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘এসডিজি অর্জনে তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কর বৃদ্ধির গুরুত্ব’ শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক। সৈয়দা অনন্যা রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় যক্ষ্মা নিরোধ সমিতি (নাটাব) সভাপতি ও বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোটের (বাটা) উপদেষ্টা মোজাফফর হোসেন পল্টু।

এ সময় বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট ও উন্নয়ন) মোহাম্মদ রূহুল কুদ্দুস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল হামিদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্র্টার্স ফোরামের সহসভাপতি নূরুল ইসলাম হাসিব, দি ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক অ্যাভোকেট সৈয়দ মাহবুবুল আলম, ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিবছর ধূমপানের কারণে ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। জিডিপির ১ দশমিক ৪ শতাংশ টাকা খরচ হচ্ছে শুধু তামাকের ব্যবহারে সৃষ্ট রোগের চিকিৎসায়। তামাক নিয়ন্ত্রণ এসডিজির লক্ষ্য পূরণ সহায়ক। কিন্তু আমাদের তামাক কর কাঠামো খুবই দুর্বল। তামাকের ওপর সঠিকভাবে কর আরোপ করতে পারলে তামাক থেকে ১০০ বিলিয়ন টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, বিগত কয়েক বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কয়েকগুণ বাড়লেও তামাকজাত দ্রব্যের দাম সে হারে বাড়েনি। বরং মুদ্রাস্ফীতি ও মানুষের আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তামাকের প্রকৃত মূল্য কমেছে। সুতরাং তামাকজাত দ্রব্যের চাহিদা কমাতে অন্যান্য পদক্ষেপের পাশাপাশি এর প্রকৃত মূল্য ও তামাকজাত দ্রব্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি করে এটি মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।