মাত্র ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দলীয় ৬ রানেই হারায় প্রথম দুই উইকেট। ইয়ামিন আহমাদজাইয়ের বলে তানজিদ হাসান ১ রান করে আউট হন এবং পরের বলেই সৌম্য সরকার ০ রানে বোল্ড হন। ১৬০ রানের পুঁজি নিয়ে ফাইনালের স্বপ্ন দেখাটা কঠিনই ছিল। বাংলাদেশ সেটাই করতে গিয়ে হেরে গেছে ৭ উইকেটে, ৮৭ বল হাতে রেখে। টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। রহমত শাহ (৯০ বলে অপরাজিত ৬৭) ও হাশমতউল্লাহ শহীদি (অপরাজিত ৩৬) ৬৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ শেষ করেন। হ্যাটট্রিক বল ঠেকিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, কিন্তু সপ্তম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমারজাইয়ের পরপর দুই বলে শান্ত (১৫) ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় (০) ফিরলে স্কোর হয় ২৮/৪। ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের শেষ রাউন্ড রবিন ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল টাইগাররা।
- হ্যাটট্রিক বল ঠেকিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, কিন্তু সপ্তম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমারজাইয়ের পরপর দুই বলে শান্ত
- ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়
- ফিরলে স্কোর হয় ২৮/৪। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন যোগ করেন ৯৩ রান। সাইফ ৮২ বলে ৪১ করে নবীর বলে আউট হলে ভাঙে সেই প্রতিরোধ। এর মধ্যে রশিদ খানকে মারা তাঁর ছক্কাটি ছিল তিন বছরে রশিদের বিপক্ষে কোনো বাংলাদেশি ব্যাটারের প্রথম। ইমন ৯৬ বলে ৭০ রান করে ওয়ানডেতে দ্বিতীয় ফিফটি পান। তবে তিনি এলবিডব্লিউ হওয়ার পর মাত্র ৩৯ রানেই শেষ ৬ উইকেট হারায় দল। রশিদ ৩১ রানে ৪ উইকেট লাভ করেন এবং অভিষিক্ত আলিস আল ইসলাম ১০ বল খেলে শূন্য রান করেন।
- ও সেদিকউল্লাহ আতালকে
- ফেরালেও প্রতিরোধ গড়ে আফগানরা। দলীয় ৯৫ রানে ইব্রাহিম জাদরাননে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। এরপর রহমত শাহ (৯০ বলে অপরাজিত
- ও হাশমতউল্লাহ শহীদি (অপরাজিত
- ৬৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ শেষ করেন। ১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে তাসকিন রহমান রহমান গুরবাজ ও সেদিকউল্লাহকে দ্রুত ফেরালেও এই জুটি বাংলাদেশকে আর ম্যাচে ফিরতে দেয়নি।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 






















