ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

সুরের মূর্ছনায় ছায়ানটের বর্ষবরণ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হাজারো কণ্ঠে গান গেয়ে বাংলা নতুন বছর ১৪২৫ সালকে বরণ করে নিল বাংলাদেশের অন্যতম সংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। ‘বিশ্বায়নের বাস্তবতায় শিকড়ের সন্ধান’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু করে সংগঠনটি।

শনিবার সকাল সোয়া ছয়টায় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই রমনার বটমূলে ছায়নটের আয়োজনে শুরু হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন। হলুদ সবুজ পোশাকে প্রায় দেড় শতাধিক শিল্পী তাদের সুর-ছন্দ আর তাল-লয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় ৫১ বছরে পা রাখা ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটির শিল্পীরা। ছায়ানটের এই আয়োজনের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আনন্দ, আত্মপরিচয়ের সন্ধান ও মানবতা।

ছায়ানটের শিল্পী-কর্মীদের জন্য বটমূল সংলগ্ন সামান্য জায়গা ছাড়া প্রায় গোটা প্রাঙ্গনই উন্মুক্ত রয়েছে সবার জন্য। বটমূলের বর্ষবরণ আয়োজন সুষ্ঠু রাখতে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সদস্যরা।

সংগঠনের ৫১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের আয়োজনে ছিল অনেক নতুনত্ব। ছায়ানটের প্রভাতি সংগীতানুষ্ঠান থেকে শুরু করে মঞ্চ সাজানোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া গানের তালিকায় আছে মানবতা, দেশপ্রেম ও উদ্দীপনামূলক কালজয়ী গান।

ছায়ানটের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভোর থেকে হাজারো মানুষ ভিড় করে রমনা বটমূলে। শিল্পীদের গান, কবিতা আর বাদ্যযন্ত্রের মুর্ছনায় তারা বিমোহিত হয়ে যান। অনেকে শিল্পীদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত করে তোলেন।

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে প্রতি বছরই রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানট আয়োজন করে বর্ষবরণের উৎসব। নববর্ষের প্রথম দিন ভোর থেকে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসতে থাকে মানুষ। ঐতিহ্যবাহী এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভিড় জমায় অনেক বিদেশি দর্শনার্থীও।

কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী নিরাপদ করে তুলেছে বর্ষবরণের জন্য আসা শিশু থেকে তরুণ-তরুণী-অবাল-বৃদ্ধ-বণিতাসহ সকল বয়সের মানুষকে। পুরুষরা সাদা পাঞ্জাবি আর নারীদের সাদা শাড়িতে লালপাড় বর্ণিল করে তুলেছে রমনার সবুজ উদ্যান।

শিল্পীদের গানের তালে তালে মনের সকল জীর্ণতাকে মুছে ফেলে নতুন বছরে নিজেদের নতুন করে সাজানোর গল্প আঁকতে থাকেন উপস্থিত বৈশাখ বরণকারীরাও।

বরাবরের মতো এবারের আয়েজনটিও সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

সুরের মূর্ছনায় ছায়ানটের বর্ষবরণ

আপডেট সময় ০২:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হাজারো কণ্ঠে গান গেয়ে বাংলা নতুন বছর ১৪২৫ সালকে বরণ করে নিল বাংলাদেশের অন্যতম সংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানট। ‘বিশ্বায়নের বাস্তবতায় শিকড়ের সন্ধান’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান শুরু করে সংগঠনটি।

শনিবার সকাল সোয়া ছয়টায় সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই রমনার বটমূলে ছায়নটের আয়োজনে শুরু হয় বর্ষবরণের প্রভাতী আয়োজন। হলুদ সবুজ পোশাকে প্রায় দেড় শতাধিক শিল্পী তাদের সুর-ছন্দ আর তাল-লয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় ৫১ বছরে পা রাখা ঐতিহ্যবাহী সংগঠনটির শিল্পীরা। ছায়ানটের এই আয়োজনের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আনন্দ, আত্মপরিচয়ের সন্ধান ও মানবতা।

ছায়ানটের শিল্পী-কর্মীদের জন্য বটমূল সংলগ্ন সামান্য জায়গা ছাড়া প্রায় গোটা প্রাঙ্গনই উন্মুক্ত রয়েছে সবার জন্য। বটমূলের বর্ষবরণ আয়োজন সুষ্ঠু রাখতে সার্বক্ষণিক সহায়তা দিচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর সদস্যরা।

সংগঠনের ৫১ বছর পূর্তি উপলক্ষে এবারের আয়োজনে ছিল অনেক নতুনত্ব। ছায়ানটের প্রভাতি সংগীতানুষ্ঠান থেকে শুরু করে মঞ্চ সাজানোয় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এছাড়া গানের তালিকায় আছে মানবতা, দেশপ্রেম ও উদ্দীপনামূলক কালজয়ী গান।

ছায়ানটের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভোর থেকে হাজারো মানুষ ভিড় করে রমনা বটমূলে। শিল্পীদের গান, কবিতা আর বাদ্যযন্ত্রের মুর্ছনায় তারা বিমোহিত হয়ে যান। অনেকে শিল্পীদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত করে তোলেন।

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে প্রতি বছরই রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানট আয়োজন করে বর্ষবরণের উৎসব। নববর্ষের প্রথম দিন ভোর থেকে ছায়ানটের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসতে থাকে মানুষ। ঐতিহ্যবাহী এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভিড় জমায় অনেক বিদেশি দর্শনার্থীও।

কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী নিরাপদ করে তুলেছে বর্ষবরণের জন্য আসা শিশু থেকে তরুণ-তরুণী-অবাল-বৃদ্ধ-বণিতাসহ সকল বয়সের মানুষকে। পুরুষরা সাদা পাঞ্জাবি আর নারীদের সাদা শাড়িতে লালপাড় বর্ণিল করে তুলেছে রমনার সবুজ উদ্যান।

শিল্পীদের গানের তালে তালে মনের সকল জীর্ণতাকে মুছে ফেলে নতুন বছরে নিজেদের নতুন করে সাজানোর গল্প আঁকতে থাকেন উপস্থিত বৈশাখ বরণকারীরাও।

বরাবরের মতো এবারের আয়েজনটিও সরাসরি সম্প্রচার করছে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার।