ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

বৃদ্ধা হত্যার দায়ে চারজনের ফাঁসির আদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার দোহারের ৭০ বছরের বৃদ্ধ আয়েশা বেগমকে হত্যার দায়ে চারজনকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আহসান তারিক এ রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহফুজা বেগম সাঈদা জানিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজন খাঁ, শাহানাজ বেগম, সুমন বয়াতি, ফজল ওরফে ফয়জল। মৃত্যুদণ্ডাদেশের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আরেক আইনজীবী এ টি এম গোলজার হোসেন জানান, ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে দোহার থানার সুতারপাড়া গ্রামে আয়েশা বেগম নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করেন দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান। ২০০৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর চারজনের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, বৃদ্ধ আয়েশা বেগমের টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করার জন্যই তাঁকে হত্যা করা হয়। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

বৃদ্ধা হত্যার দায়ে চারজনের ফাঁসির আদেশ

আপডেট সময় ০৭:৩৬:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার দোহারের ৭০ বছরের বৃদ্ধ আয়েশা বেগমকে হত্যার দায়ে চারজনকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আহসান তারিক এ রায় দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহফুজা বেগম সাঈদা জানিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন রাজন খাঁ, শাহানাজ বেগম, সুমন বয়াতি, ফজল ওরফে ফয়জল। মৃত্যুদণ্ডাদেশের পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আরেক আইনজীবী এ টি এম গোলজার হোসেন জানান, ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে দোহার থানার সুতারপাড়া গ্রামে আয়েশা বেগম নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করেন দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান। ২০০৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর চারজনের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, বৃদ্ধ আয়েশা বেগমের টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই করার জন্যই তাঁকে হত্যা করা হয়। আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।