ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সাগর পথ দিয়ে আসা বাংলাদেশি শ্রমিকদের জীবন যাপন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যেখানে বিমান দিয়ে বাংলাদেশ শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে মালয়েশিয়া কোয়ালালামপুর বিমান বন্দরে যেতে সময় লাগে মাত্র দুই ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট, সেখানে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাষমান হয়ে দশ থেকে বিশ দিন পর্যন্ত অনহারে কোন মূহুর্তে কূল ছুতে পেড়েছিল এসব শ্রমিকগন। অতপর তাদের নিয়ে আসা হতো থাইল্যান্ডের কেলাং নামের একটি উপসাগর যার মাঝে রয়েছে উচু উচু পাহাড় বন আর বন… দূর থেকে দেখে কারো বোঝার উপাই নেই যে সেখানে মানবের বসতি আছে, অথচ, অইখানে রয়েছে হাজার হাজার সাগর দিয়ে ভেষে আসা লোকসকল যাদের রাখা হয়েছে জিম্মি করে দালাদের পাহারায়, টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিজনকে আটকে রাখা হয়, টাকা পরিশোধ করতে দেরি হলে প্রহার করার জন্য রয়েছে থাইল্যান্ডের এক ধরনের লোক যারা দেখতে চাকমার মতো, তাদের অত্যাচারে অনেক লোক অজ্ঞান হয়ে মারা যেতো, সেখান থেকে যারা টাকা পরিশোধ করতে পারে তাদেরকে মুক্ত করা হতো এবং তুলে দেয়া হতো ওন্য এক দালালের কাছে যে পথ দেখিয়ে দেবে মালয়েশিয়ার, তার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার উপারে পৌছে দেওয়া মাত্র!

অতপর মালায়েশিয়ার পেনাং, জুহুর বারু, লাংকাওয়ি, সিংগাপাতানি, ইপ্পু সহ আরো অনেক পয়েন্ট দিয়ে তারা প্রবেশ করতো। তারপর ঐ দালাল চলে যেতো তার গন্তব্যে। যদি ভুক্তভোগী একের অধিক হয় তাহলে কারো সহযোগিতায় পরিচিত লোকের সাহায্যে সবাই বেচে যেতো, অন্যতায় ধরা পড়ে যেতো পুলিশের হাতে, যারা ধরা পড়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে, সেখানে প্রশ্ন করা হয় ভুক্তভোগী কোন দেশী, ভুক্তভোগী যদি বাংলাদেশের হয় তার নাম ঠিকানা নিয়ে বাংলাদেশি ইমেগ্রেশনের কাছে একটা মিনি নোটীস দিতো। আর যদি ভুক্তভোগী মায়ানমারের হয়ে থাকে তার নামে প্রথমে শাস্তি হিসেবে ছয় মাসের জেল মওকুফ করা হবে, যখন জেল কাটা শেষ হবে তখন তাকে একটা শরনার্থি কার্ড দেওয়া হবে, যেখানে লিখা থাকবে এ মিসকিন একে সহায় কর, অতপর তাকে 80 রিংগিত দেবে গাড়ি ভাড়া হিসেবে সে কোথায় যাবে কি করবে এ ব্যপারে তারা কিছু বলবেনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাগর পথ দিয়ে আসা বাংলাদেশি শ্রমিকদের জীবন যাপন

আপডেট সময় ০৭:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যেখানে বিমান দিয়ে বাংলাদেশ শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে মালয়েশিয়া কোয়ালালামপুর বিমান বন্দরে যেতে সময় লাগে মাত্র দুই ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট, সেখানে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাষমান হয়ে দশ থেকে বিশ দিন পর্যন্ত অনহারে কোন মূহুর্তে কূল ছুতে পেড়েছিল এসব শ্রমিকগন। অতপর তাদের নিয়ে আসা হতো থাইল্যান্ডের কেলাং নামের একটি উপসাগর যার মাঝে রয়েছে উচু উচু পাহাড় বন আর বন… দূর থেকে দেখে কারো বোঝার উপাই নেই যে সেখানে মানবের বসতি আছে, অথচ, অইখানে রয়েছে হাজার হাজার সাগর দিয়ে ভেষে আসা লোকসকল যাদের রাখা হয়েছে জিম্মি করে দালাদের পাহারায়, টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিজনকে আটকে রাখা হয়, টাকা পরিশোধ করতে দেরি হলে প্রহার করার জন্য রয়েছে থাইল্যান্ডের এক ধরনের লোক যারা দেখতে চাকমার মতো, তাদের অত্যাচারে অনেক লোক অজ্ঞান হয়ে মারা যেতো, সেখান থেকে যারা টাকা পরিশোধ করতে পারে তাদেরকে মুক্ত করা হতো এবং তুলে দেয়া হতো ওন্য এক দালালের কাছে যে পথ দেখিয়ে দেবে মালয়েশিয়ার, তার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার উপারে পৌছে দেওয়া মাত্র!

অতপর মালায়েশিয়ার পেনাং, জুহুর বারু, লাংকাওয়ি, সিংগাপাতানি, ইপ্পু সহ আরো অনেক পয়েন্ট দিয়ে তারা প্রবেশ করতো। তারপর ঐ দালাল চলে যেতো তার গন্তব্যে। যদি ভুক্তভোগী একের অধিক হয় তাহলে কারো সহযোগিতায় পরিচিত লোকের সাহায্যে সবাই বেচে যেতো, অন্যতায় ধরা পড়ে যেতো পুলিশের হাতে, যারা ধরা পড়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে, সেখানে প্রশ্ন করা হয় ভুক্তভোগী কোন দেশী, ভুক্তভোগী যদি বাংলাদেশের হয় তার নাম ঠিকানা নিয়ে বাংলাদেশি ইমেগ্রেশনের কাছে একটা মিনি নোটীস দিতো। আর যদি ভুক্তভোগী মায়ানমারের হয়ে থাকে তার নামে প্রথমে শাস্তি হিসেবে ছয় মাসের জেল মওকুফ করা হবে, যখন জেল কাটা শেষ হবে তখন তাকে একটা শরনার্থি কার্ড দেওয়া হবে, যেখানে লিখা থাকবে এ মিসকিন একে সহায় কর, অতপর তাকে 80 রিংগিত দেবে গাড়ি ভাড়া হিসেবে সে কোথায় যাবে কি করবে এ ব্যপারে তারা কিছু বলবেনা।