ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সাগর পথ দিয়ে আসা বাংলাদেশি শ্রমিকদের জীবন যাপন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যেখানে বিমান দিয়ে বাংলাদেশ শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে মালয়েশিয়া কোয়ালালামপুর বিমান বন্দরে যেতে সময় লাগে মাত্র দুই ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট, সেখানে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাষমান হয়ে দশ থেকে বিশ দিন পর্যন্ত অনহারে কোন মূহুর্তে কূল ছুতে পেড়েছিল এসব শ্রমিকগন। অতপর তাদের নিয়ে আসা হতো থাইল্যান্ডের কেলাং নামের একটি উপসাগর যার মাঝে রয়েছে উচু উচু পাহাড় বন আর বন… দূর থেকে দেখে কারো বোঝার উপাই নেই যে সেখানে মানবের বসতি আছে, অথচ, অইখানে রয়েছে হাজার হাজার সাগর দিয়ে ভেষে আসা লোকসকল যাদের রাখা হয়েছে জিম্মি করে দালাদের পাহারায়, টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিজনকে আটকে রাখা হয়, টাকা পরিশোধ করতে দেরি হলে প্রহার করার জন্য রয়েছে থাইল্যান্ডের এক ধরনের লোক যারা দেখতে চাকমার মতো, তাদের অত্যাচারে অনেক লোক অজ্ঞান হয়ে মারা যেতো, সেখান থেকে যারা টাকা পরিশোধ করতে পারে তাদেরকে মুক্ত করা হতো এবং তুলে দেয়া হতো ওন্য এক দালালের কাছে যে পথ দেখিয়ে দেবে মালয়েশিয়ার, তার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার উপারে পৌছে দেওয়া মাত্র!

অতপর মালায়েশিয়ার পেনাং, জুহুর বারু, লাংকাওয়ি, সিংগাপাতানি, ইপ্পু সহ আরো অনেক পয়েন্ট দিয়ে তারা প্রবেশ করতো। তারপর ঐ দালাল চলে যেতো তার গন্তব্যে। যদি ভুক্তভোগী একের অধিক হয় তাহলে কারো সহযোগিতায় পরিচিত লোকের সাহায্যে সবাই বেচে যেতো, অন্যতায় ধরা পড়ে যেতো পুলিশের হাতে, যারা ধরা পড়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে, সেখানে প্রশ্ন করা হয় ভুক্তভোগী কোন দেশী, ভুক্তভোগী যদি বাংলাদেশের হয় তার নাম ঠিকানা নিয়ে বাংলাদেশি ইমেগ্রেশনের কাছে একটা মিনি নোটীস দিতো। আর যদি ভুক্তভোগী মায়ানমারের হয়ে থাকে তার নামে প্রথমে শাস্তি হিসেবে ছয় মাসের জেল মওকুফ করা হবে, যখন জেল কাটা শেষ হবে তখন তাকে একটা শরনার্থি কার্ড দেওয়া হবে, যেখানে লিখা থাকবে এ মিসকিন একে সহায় কর, অতপর তাকে 80 রিংগিত দেবে গাড়ি ভাড়া হিসেবে সে কোথায় যাবে কি করবে এ ব্যপারে তারা কিছু বলবেনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

সাগর পথ দিয়ে আসা বাংলাদেশি শ্রমিকদের জীবন যাপন

আপডেট সময় ০৭:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যেখানে বিমান দিয়ে বাংলাদেশ শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে মালয়েশিয়া কোয়ালালামপুর বিমান বন্দরে যেতে সময় লাগে মাত্র দুই ঘন্টা পঞ্চাশ মিনিট, সেখানে জিবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাষমান হয়ে দশ থেকে বিশ দিন পর্যন্ত অনহারে কোন মূহুর্তে কূল ছুতে পেড়েছিল এসব শ্রমিকগন। অতপর তাদের নিয়ে আসা হতো থাইল্যান্ডের কেলাং নামের একটি উপসাগর যার মাঝে রয়েছে উচু উচু পাহাড় বন আর বন… দূর থেকে দেখে কারো বোঝার উপাই নেই যে সেখানে মানবের বসতি আছে, অথচ, অইখানে রয়েছে হাজার হাজার সাগর দিয়ে ভেষে আসা লোকসকল যাদের রাখা হয়েছে জিম্মি করে দালাদের পাহারায়, টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিজনকে আটকে রাখা হয়, টাকা পরিশোধ করতে দেরি হলে প্রহার করার জন্য রয়েছে থাইল্যান্ডের এক ধরনের লোক যারা দেখতে চাকমার মতো, তাদের অত্যাচারে অনেক লোক অজ্ঞান হয়ে মারা যেতো, সেখান থেকে যারা টাকা পরিশোধ করতে পারে তাদেরকে মুক্ত করা হতো এবং তুলে দেয়া হতো ওন্য এক দালালের কাছে যে পথ দেখিয়ে দেবে মালয়েশিয়ার, তার দায়িত্ব মালয়েশিয়ার উপারে পৌছে দেওয়া মাত্র!

অতপর মালায়েশিয়ার পেনাং, জুহুর বারু, লাংকাওয়ি, সিংগাপাতানি, ইপ্পু সহ আরো অনেক পয়েন্ট দিয়ে তারা প্রবেশ করতো। তারপর ঐ দালাল চলে যেতো তার গন্তব্যে। যদি ভুক্তভোগী একের অধিক হয় তাহলে কারো সহযোগিতায় পরিচিত লোকের সাহায্যে সবাই বেচে যেতো, অন্যতায় ধরা পড়ে যেতো পুলিশের হাতে, যারা ধরা পড়ে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে, সেখানে প্রশ্ন করা হয় ভুক্তভোগী কোন দেশী, ভুক্তভোগী যদি বাংলাদেশের হয় তার নাম ঠিকানা নিয়ে বাংলাদেশি ইমেগ্রেশনের কাছে একটা মিনি নোটীস দিতো। আর যদি ভুক্তভোগী মায়ানমারের হয়ে থাকে তার নামে প্রথমে শাস্তি হিসেবে ছয় মাসের জেল মওকুফ করা হবে, যখন জেল কাটা শেষ হবে তখন তাকে একটা শরনার্থি কার্ড দেওয়া হবে, যেখানে লিখা থাকবে এ মিসকিন একে সহায় কর, অতপর তাকে 80 রিংগিত দেবে গাড়ি ভাড়া হিসেবে সে কোথায় যাবে কি করবে এ ব্যপারে তারা কিছু বলবেনা।