ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

একমাত্র আ.লীগই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে ছিল, আছে এবং থাকবে: জয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে ছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, এই চেতনার পক্ষে আওয়ামী লীগ এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।

৪৮ তম স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন ‘জাতীয় গণহত্যা দিবসে’ নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিযায় জয় এ কথা বলেন।

নানা সময় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবসে ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানান জয়। গণহত্যা দিবসেও ১৯৭১ দিবসটি পালনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এ দেশে গণহত্যা শুরু করে। পরের নয় মাসে হত্যা করা হয় ৩০ লাখ মানুষকে, ধর্ষিতা হন আড়াই লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ নারী।

গণহত্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা এবং পাকিস্তানের নৃশংসতার বিরুদ্ধে ঘৃণা জানাতে ২০১৭ সাল থেকে ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে সরকার।

আর দ্বিতীয় বছরে দিবসটিতে রাত নয়টা থেকে নয়টা এক মিনিট পর্যন্ত এক মিনিট বিদ্যুৎ বন্ধ করে রেখে ব্ল্যাক আউট পালন করেছে সরকার।

সেই সঙ্গে দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে চেষ্টা চলছে বলেও জানান জয়। বর্তমানে ৯ আগস্ট গণহত্যা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয় জাতিসংঘের হিসাবে।

জয় তার ফেসবুকে লেখেন, ‘গত বছরের মার্চ মাসে, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চ কে বাংলাদেশের ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’

‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের কুখ্যাত ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে নয় মাসব্যাপী বাঙালি নিধনযজ্ঞের সূচনা করে।’

‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার করা হয়েছে এবং হচ্ছে।’

‘মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তাদের প্রাপ্য সম্মান দেয়া হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেই। আর এখন ৭১ এর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে সেই আওয়ামী লীগ সরকারই।’

‘কারণ একমাত্র আওয়ামী লীগই সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে ছিল, আছে এবং থাকবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

একমাত্র আ.লীগই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে ছিল, আছে এবং থাকবে: জয়

আপডেট সময় ০৯:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে ছিল বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেন, এই চেতনার পক্ষে আওয়ামী লীগ এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে।

৪৮ তম স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন ‘জাতীয় গণহত্যা দিবসে’ নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিযায় জয় এ কথা বলেন।

নানা সময় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এবং বিভিন্ন জাতীয় দিবসে ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানান জয়। গণহত্যা দিবসেও ১৯৭১ দিবসটি পালনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এ দেশে গণহত্যা শুরু করে। পরের নয় মাসে হত্যা করা হয় ৩০ লাখ মানুষকে, ধর্ষিতা হন আড়াই লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ নারী।

গণহত্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা এবং পাকিস্তানের নৃশংসতার বিরুদ্ধে ঘৃণা জানাতে ২০১৭ সাল থেকে ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে সরকার।

আর দ্বিতীয় বছরে দিবসটিতে রাত নয়টা থেকে নয়টা এক মিনিট পর্যন্ত এক মিনিট বিদ্যুৎ বন্ধ করে রেখে ব্ল্যাক আউট পালন করেছে সরকার।

সেই সঙ্গে দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে চেষ্টা চলছে বলেও জানান জয়। বর্তমানে ৯ আগস্ট গণহত্যা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয় জাতিসংঘের হিসাবে।

জয় তার ফেসবুকে লেখেন, ‘গত বছরের মার্চ মাসে, আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চ কে বাংলাদেশের ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’

‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ভয়াল রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের কুখ্যাত ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে নয় মাসব্যাপী বাঙালি নিধনযজ্ঞের সূচনা করে।’

‘আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই ট্রাইব্যুনাল গঠন করে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার করা হয়েছে এবং হচ্ছে।’

‘মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তাদের প্রাপ্য সম্মান দেয়া হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেই। আর এখন ৭১ এর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে সেই আওয়ামী লীগ সরকারই।’

‘কারণ একমাত্র আওয়ামী লীগই সবসময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে ছিল, আছে এবং থাকবে।’