ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

মেসি-সুয়ারেজদের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে শ্রীলঙ্কা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের যদি মাঠে ভালোভাবে লক্ষ করে থাকেন তাহলে দেখবেন তাদের জার্সির পেছনে সবুজ ও নীল বাতি জ্বলজ্বল করছে।

প্রথমে হয়তো ঘাবড়ে যেতে পারেন। কিন্তু ঘাবড়ানোর কিছু নেই। থিসারা পেরেরা ও কুলশ সিলভাদের কাঁধে বা কোমড়ে যুক্ত করা হয়েছে জিপিএস প্রযুক্তি। মাঠে ক্রিকেটারদের ফিটনেস এবং ইনটেনসিটির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে।

এর মাধ্যমে ট্রেনাররা খুব কাছ থেকে খেলোয়াড়দের দেখতে পারেন এবং তাদের সব কার্যক্রম রেকর্ড রাখতে পারেন। পরবর্তী সময়ে এটি চাইলেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের জন্য এটি বার্সেলোনা থেকে উড়িয়ে এনেছে তাদের হাই পাফরম্যান্স সেন্টার।

লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজদের জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তাদের ফিটনেসের অবস্থা, বিশ্রাম, ইনজুরিতে পড়ার প্রবণতা, শারীরিক ধকল, শট নেওয়ার গতি এবং গোল করার ক্ষমতাসহ আরো অনেক কিছুর চুলচেড়া বিশ্লেষণ হয় এই জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে। শ্রীলঙ্কা দলের ফিল্ডিং কোচ নিক পোথাস এ প্রযুক্তিটি বার্সেলোনা থেকে নিয়ে আসেন লঙ্কান ক্রিকেটারদের জন্য।

প্রযুক্তিটি এরইমধ্যে ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট। এতে মাঠে এবং মাঠের বাইরে ক্রিকেটারদের কড়া নজরে রাখতে পারছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ডাটা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের প্রোফাইলে সংযুক্ত হয়ে যায়।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের প্রধান সাইমন উইলস জানিয়েছেন, দলের অভ্যন্তরীণ অনেক সিদ্ধান্ত এ জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে নেওয়া যাচ্ছে। তার ভাষ্য, ‘ডাটাগুলো আমাদেরকে সরাসরি অনেক আপডেট দিচ্ছে। সাপোর্টিং স্টাফ যারা আছে তাদেরকেও সাহায্য করছে। পাশাপাশি আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি সেগুলোরও প্রমাণ রাখতে পারছি।’

প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করছে, সেটা তুলে ধরে উইলস বলেছেন, ‘আমি যখন এখানে কাজ করা শুরু করি, তখন নয় ক্রিকেটারের মাসল ইনজুরি ছিল। এখন প্রযুক্তিটি ব্যবহার করায় সেই সংখ্যা দুইয়ে নেমে এসেছে। এটা শুধু খেলোয়াড়দের ইনজুরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় না। কার কতটুকু কাজের ভার নেওয়ার ক্ষমতা আছে সেটাও জানায়। এর ফলে আমরা ওদেরকে ওভাবেই কাজ বণ্টন করে দিতে পারছি। শেষ ১৮ মাসে দারুণ উন্নতি হয়েছে ওদের। বড় টুর্নামেন্টে আমরা আমাদের সেরা খেলোয়াড়কে নিয়ে খেলতে চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

মেসি-সুয়ারেজদের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে শ্রীলঙ্কা

আপডেট সময় ০৯:২১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের যদি মাঠে ভালোভাবে লক্ষ করে থাকেন তাহলে দেখবেন তাদের জার্সির পেছনে সবুজ ও নীল বাতি জ্বলজ্বল করছে।

প্রথমে হয়তো ঘাবড়ে যেতে পারেন। কিন্তু ঘাবড়ানোর কিছু নেই। থিসারা পেরেরা ও কুলশ সিলভাদের কাঁধে বা কোমড়ে যুক্ত করা হয়েছে জিপিএস প্রযুক্তি। মাঠে ক্রিকেটারদের ফিটনেস এবং ইনটেনসিটির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে।

এর মাধ্যমে ট্রেনাররা খুব কাছ থেকে খেলোয়াড়দের দেখতে পারেন এবং তাদের সব কার্যক্রম রেকর্ড রাখতে পারেন। পরবর্তী সময়ে এটি চাইলেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের জন্য এটি বার্সেলোনা থেকে উড়িয়ে এনেছে তাদের হাই পাফরম্যান্স সেন্টার।

লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজদের জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তাদের ফিটনেসের অবস্থা, বিশ্রাম, ইনজুরিতে পড়ার প্রবণতা, শারীরিক ধকল, শট নেওয়ার গতি এবং গোল করার ক্ষমতাসহ আরো অনেক কিছুর চুলচেড়া বিশ্লেষণ হয় এই জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে। শ্রীলঙ্কা দলের ফিল্ডিং কোচ নিক পোথাস এ প্রযুক্তিটি বার্সেলোনা থেকে নিয়ে আসেন লঙ্কান ক্রিকেটারদের জন্য।

প্রযুক্তিটি এরইমধ্যে ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট। এতে মাঠে এবং মাঠের বাইরে ক্রিকেটারদের কড়া নজরে রাখতে পারছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ডাটা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের প্রোফাইলে সংযুক্ত হয়ে যায়।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের প্রধান সাইমন উইলস জানিয়েছেন, দলের অভ্যন্তরীণ অনেক সিদ্ধান্ত এ জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে নেওয়া যাচ্ছে। তার ভাষ্য, ‘ডাটাগুলো আমাদেরকে সরাসরি অনেক আপডেট দিচ্ছে। সাপোর্টিং স্টাফ যারা আছে তাদেরকেও সাহায্য করছে। পাশাপাশি আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি সেগুলোরও প্রমাণ রাখতে পারছি।’

প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করছে, সেটা তুলে ধরে উইলস বলেছেন, ‘আমি যখন এখানে কাজ করা শুরু করি, তখন নয় ক্রিকেটারের মাসল ইনজুরি ছিল। এখন প্রযুক্তিটি ব্যবহার করায় সেই সংখ্যা দুইয়ে নেমে এসেছে। এটা শুধু খেলোয়াড়দের ইনজুরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় না। কার কতটুকু কাজের ভার নেওয়ার ক্ষমতা আছে সেটাও জানায়। এর ফলে আমরা ওদেরকে ওভাবেই কাজ বণ্টন করে দিতে পারছি। শেষ ১৮ মাসে দারুণ উন্নতি হয়েছে ওদের। বড় টুর্নামেন্টে আমরা আমাদের সেরা খেলোয়াড়কে নিয়ে খেলতে চাই।’