ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা: নুরুল হক নুর

মেসি-সুয়ারেজদের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে শ্রীলঙ্কা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের যদি মাঠে ভালোভাবে লক্ষ করে থাকেন তাহলে দেখবেন তাদের জার্সির পেছনে সবুজ ও নীল বাতি জ্বলজ্বল করছে।

প্রথমে হয়তো ঘাবড়ে যেতে পারেন। কিন্তু ঘাবড়ানোর কিছু নেই। থিসারা পেরেরা ও কুলশ সিলভাদের কাঁধে বা কোমড়ে যুক্ত করা হয়েছে জিপিএস প্রযুক্তি। মাঠে ক্রিকেটারদের ফিটনেস এবং ইনটেনসিটির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে।

এর মাধ্যমে ট্রেনাররা খুব কাছ থেকে খেলোয়াড়দের দেখতে পারেন এবং তাদের সব কার্যক্রম রেকর্ড রাখতে পারেন। পরবর্তী সময়ে এটি চাইলেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের জন্য এটি বার্সেলোনা থেকে উড়িয়ে এনেছে তাদের হাই পাফরম্যান্স সেন্টার।

লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজদের জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তাদের ফিটনেসের অবস্থা, বিশ্রাম, ইনজুরিতে পড়ার প্রবণতা, শারীরিক ধকল, শট নেওয়ার গতি এবং গোল করার ক্ষমতাসহ আরো অনেক কিছুর চুলচেড়া বিশ্লেষণ হয় এই জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে। শ্রীলঙ্কা দলের ফিল্ডিং কোচ নিক পোথাস এ প্রযুক্তিটি বার্সেলোনা থেকে নিয়ে আসেন লঙ্কান ক্রিকেটারদের জন্য।

প্রযুক্তিটি এরইমধ্যে ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট। এতে মাঠে এবং মাঠের বাইরে ক্রিকেটারদের কড়া নজরে রাখতে পারছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ডাটা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের প্রোফাইলে সংযুক্ত হয়ে যায়।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের প্রধান সাইমন উইলস জানিয়েছেন, দলের অভ্যন্তরীণ অনেক সিদ্ধান্ত এ জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে নেওয়া যাচ্ছে। তার ভাষ্য, ‘ডাটাগুলো আমাদেরকে সরাসরি অনেক আপডেট দিচ্ছে। সাপোর্টিং স্টাফ যারা আছে তাদেরকেও সাহায্য করছে। পাশাপাশি আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি সেগুলোরও প্রমাণ রাখতে পারছি।’

প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করছে, সেটা তুলে ধরে উইলস বলেছেন, ‘আমি যখন এখানে কাজ করা শুরু করি, তখন নয় ক্রিকেটারের মাসল ইনজুরি ছিল। এখন প্রযুক্তিটি ব্যবহার করায় সেই সংখ্যা দুইয়ে নেমে এসেছে। এটা শুধু খেলোয়াড়দের ইনজুরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় না। কার কতটুকু কাজের ভার নেওয়ার ক্ষমতা আছে সেটাও জানায়। এর ফলে আমরা ওদেরকে ওভাবেই কাজ বণ্টন করে দিতে পারছি। শেষ ১৮ মাসে দারুণ উন্নতি হয়েছে ওদের। বড় টুর্নামেন্টে আমরা আমাদের সেরা খেলোয়াড়কে নিয়ে খেলতে চাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা

মেসি-সুয়ারেজদের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে শ্রীলঙ্কা

আপডেট সময় ০৯:২১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের যদি মাঠে ভালোভাবে লক্ষ করে থাকেন তাহলে দেখবেন তাদের জার্সির পেছনে সবুজ ও নীল বাতি জ্বলজ্বল করছে।

প্রথমে হয়তো ঘাবড়ে যেতে পারেন। কিন্তু ঘাবড়ানোর কিছু নেই। থিসারা পেরেরা ও কুলশ সিলভাদের কাঁধে বা কোমড়ে যুক্ত করা হয়েছে জিপিএস প্রযুক্তি। মাঠে ক্রিকেটারদের ফিটনেস এবং ইনটেনসিটির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে।

এর মাধ্যমে ট্রেনাররা খুব কাছ থেকে খেলোয়াড়দের দেখতে পারেন এবং তাদের সব কার্যক্রম রেকর্ড রাখতে পারেন। পরবর্তী সময়ে এটি চাইলেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের জন্য এটি বার্সেলোনা থেকে উড়িয়ে এনেছে তাদের হাই পাফরম্যান্স সেন্টার।

লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেজদের জন্য এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। তাদের ফিটনেসের অবস্থা, বিশ্রাম, ইনজুরিতে পড়ার প্রবণতা, শারীরিক ধকল, শট নেওয়ার গতি এবং গোল করার ক্ষমতাসহ আরো অনেক কিছুর চুলচেড়া বিশ্লেষণ হয় এই জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে। শ্রীলঙ্কা দলের ফিল্ডিং কোচ নিক পোথাস এ প্রযুক্তিটি বার্সেলোনা থেকে নিয়ে আসেন লঙ্কান ক্রিকেটারদের জন্য।

প্রযুক্তিটি এরইমধ্যে ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে লঙ্কান ক্রিকেট। এতে মাঠে এবং মাঠের বাইরে ক্রিকেটারদের কড়া নজরে রাখতে পারছে টিম ম্যানেজমেন্ট। ডাটা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খেলোয়াড়দের প্রোফাইলে সংযুক্ত হয়ে যায়।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের প্রধান সাইমন উইলস জানিয়েছেন, দলের অভ্যন্তরীণ অনেক সিদ্ধান্ত এ জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে নেওয়া যাচ্ছে। তার ভাষ্য, ‘ডাটাগুলো আমাদেরকে সরাসরি অনেক আপডেট দিচ্ছে। সাপোর্টিং স্টাফ যারা আছে তাদেরকেও সাহায্য করছে। পাশাপাশি আমরা যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছি সেগুলোরও প্রমাণ রাখতে পারছি।’

প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করছে, সেটা তুলে ধরে উইলস বলেছেন, ‘আমি যখন এখানে কাজ করা শুরু করি, তখন নয় ক্রিকেটারের মাসল ইনজুরি ছিল। এখন প্রযুক্তিটি ব্যবহার করায় সেই সংখ্যা দুইয়ে নেমে এসেছে। এটা শুধু খেলোয়াড়দের ইনজুরির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানায় না। কার কতটুকু কাজের ভার নেওয়ার ক্ষমতা আছে সেটাও জানায়। এর ফলে আমরা ওদেরকে ওভাবেই কাজ বণ্টন করে দিতে পারছি। শেষ ১৮ মাসে দারুণ উন্নতি হয়েছে ওদের। বড় টুর্নামেন্টে আমরা আমাদের সেরা খেলোয়াড়কে নিয়ে খেলতে চাই।’