ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল

রোহিঙ্গারা এই মুহূর্তে বিরাট চাপ: অর্থমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের এই মুহূর্তে বিরাট চাপ মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, মিয়ানমার একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে। সোমবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে প্রাকবাজেট আলোচনায় এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

প্রাকবাজেট আলোচনায় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মত দেন যে বাজেটে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বরাদ্দ যেন থাকে। এরপর তিনি জানতে চান রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় কীভাবে মেটাবে বাংলাদেশ।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে এই মগদের দেশ। এটা কী করে সমাধান করা যায় আই হ্যাভ এক্সপ্রেস অন পারসনাল ভিউজ, সেটা দীর্ঘমেয়াদি। কিন্তু এই মুহূর্তে রোহিঙ্গারা আমাদের ওপর একটা বিরাট চাপ।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কমিউনিটি আমাদের সহায়তার জন্য চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের যেটা দরকার, এদের (রোহিঙ্গা) নিয়ে আমরা কী করব। প্রধানমন্ত্রী যে ভাসানচরের ব্যবস্থা করছেন, ওখানে তো আগের যারা আছে তাদেরই জায়গা করতে বহুদিন লাগবে। ইতোমধ্যে তিন লাখ আছে। আরও এসেছে দশ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশকে এটা একরকম আক্রমণ মগদের।’

সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বলেন, ‘এত দিন ডোনাররা সাপোর্ট করেছে। ইউএন (ইউনাইটেড নেশন) এটি রিপোর্ট করেছে আগামী ১০ মাসে এই রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের ৯৫০ মিলিয়ন ডলার লাগবে। কিন্তু তারা যদি পরবর্তী সময়ে সহায়তা না করে? বাংলাদেশ সরকারকে কিন্তু এই ভার বহন করতে হবে। আমরা কীভাবে এই বর্ধিত ব্যয়টা মোকাবেলা করব তার একটা সঠিক চিত্র এই বাজেটে আসা দরকার।

গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানে হত্যা-নির‌্যাতনের মুখে এখন পর‌্যন্ত সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ

রোহিঙ্গারা এই মুহূর্তে বিরাট চাপ: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের এই মুহূর্তে বিরাট চাপ মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, মিয়ানমার একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে। সোমবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে প্রাকবাজেট আলোচনায় এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

প্রাকবাজেট আলোচনায় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মত দেন যে বাজেটে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বরাদ্দ যেন থাকে। এরপর তিনি জানতে চান রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় কীভাবে মেটাবে বাংলাদেশ।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে এই মগদের দেশ। এটা কী করে সমাধান করা যায় আই হ্যাভ এক্সপ্রেস অন পারসনাল ভিউজ, সেটা দীর্ঘমেয়াদি। কিন্তু এই মুহূর্তে রোহিঙ্গারা আমাদের ওপর একটা বিরাট চাপ।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কমিউনিটি আমাদের সহায়তার জন্য চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের যেটা দরকার, এদের (রোহিঙ্গা) নিয়ে আমরা কী করব। প্রধানমন্ত্রী যে ভাসানচরের ব্যবস্থা করছেন, ওখানে তো আগের যারা আছে তাদেরই জায়গা করতে বহুদিন লাগবে। ইতোমধ্যে তিন লাখ আছে। আরও এসেছে দশ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশকে এটা একরকম আক্রমণ মগদের।’

সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বলেন, ‘এত দিন ডোনাররা সাপোর্ট করেছে। ইউএন (ইউনাইটেড নেশন) এটি রিপোর্ট করেছে আগামী ১০ মাসে এই রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের ৯৫০ মিলিয়ন ডলার লাগবে। কিন্তু তারা যদি পরবর্তী সময়ে সহায়তা না করে? বাংলাদেশ সরকারকে কিন্তু এই ভার বহন করতে হবে। আমরা কীভাবে এই বর্ধিত ব্যয়টা মোকাবেলা করব তার একটা সঠিক চিত্র এই বাজেটে আসা দরকার।

গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানে হত্যা-নির‌্যাতনের মুখে এখন পর‌্যন্ত সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়।