ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

রোহিঙ্গারা এই মুহূর্তে বিরাট চাপ: অর্থমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের এই মুহূর্তে বিরাট চাপ মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, মিয়ানমার একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে। সোমবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে প্রাকবাজেট আলোচনায় এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

প্রাকবাজেট আলোচনায় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মত দেন যে বাজেটে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বরাদ্দ যেন থাকে। এরপর তিনি জানতে চান রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় কীভাবে মেটাবে বাংলাদেশ।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে এই মগদের দেশ। এটা কী করে সমাধান করা যায় আই হ্যাভ এক্সপ্রেস অন পারসনাল ভিউজ, সেটা দীর্ঘমেয়াদি। কিন্তু এই মুহূর্তে রোহিঙ্গারা আমাদের ওপর একটা বিরাট চাপ।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কমিউনিটি আমাদের সহায়তার জন্য চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের যেটা দরকার, এদের (রোহিঙ্গা) নিয়ে আমরা কী করব। প্রধানমন্ত্রী যে ভাসানচরের ব্যবস্থা করছেন, ওখানে তো আগের যারা আছে তাদেরই জায়গা করতে বহুদিন লাগবে। ইতোমধ্যে তিন লাখ আছে। আরও এসেছে দশ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশকে এটা একরকম আক্রমণ মগদের।’

সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বলেন, ‘এত দিন ডোনাররা সাপোর্ট করেছে। ইউএন (ইউনাইটেড নেশন) এটি রিপোর্ট করেছে আগামী ১০ মাসে এই রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের ৯৫০ মিলিয়ন ডলার লাগবে। কিন্তু তারা যদি পরবর্তী সময়ে সহায়তা না করে? বাংলাদেশ সরকারকে কিন্তু এই ভার বহন করতে হবে। আমরা কীভাবে এই বর্ধিত ব্যয়টা মোকাবেলা করব তার একটা সঠিক চিত্র এই বাজেটে আসা দরকার।

গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানে হত্যা-নির‌্যাতনের মুখে এখন পর‌্যন্ত সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

রোহিঙ্গারা এই মুহূর্তে বিরাট চাপ: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের এই মুহূর্তে বিরাট চাপ মনে করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, মিয়ানমার একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে বাংলাদেশের সঙ্গে। সোমবার বিকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে প্রাকবাজেট আলোচনায় এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

প্রাকবাজেট আলোচনায় বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন মত দেন যে বাজেটে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট বরাদ্দ যেন থাকে। এরপর তিনি জানতে চান রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় কীভাবে মেটাবে বাংলাদেশ।

এর জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা একটা অসম্ভব শত্রুতামূলক কাণ্ড করেছে এই মগদের দেশ। এটা কী করে সমাধান করা যায় আই হ্যাভ এক্সপ্রেস অন পারসনাল ভিউজ, সেটা দীর্ঘমেয়াদি। কিন্তু এই মুহূর্তে রোহিঙ্গারা আমাদের ওপর একটা বিরাট চাপ।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক কমিউনিটি আমাদের সহায়তার জন্য চেষ্টা করছে। কিন্তু আমাদের যেটা দরকার, এদের (রোহিঙ্গা) নিয়ে আমরা কী করব। প্রধানমন্ত্রী যে ভাসানচরের ব্যবস্থা করছেন, ওখানে তো আগের যারা আছে তাদেরই জায়গা করতে বহুদিন লাগবে। ইতোমধ্যে তিন লাখ আছে। আরও এসেছে দশ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশকে এটা একরকম আক্রমণ মগদের।’

সিপিডি নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে বলেন, ‘এত দিন ডোনাররা সাপোর্ট করেছে। ইউএন (ইউনাইটেড নেশন) এটি রিপোর্ট করেছে আগামী ১০ মাসে এই রোহিঙ্গাদের জন্য তাদের ৯৫০ মিলিয়ন ডলার লাগবে। কিন্তু তারা যদি পরবর্তী সময়ে সহায়তা না করে? বাংলাদেশ সরকারকে কিন্তু এই ভার বহন করতে হবে। আমরা কীভাবে এই বর্ধিত ব্যয়টা মোকাবেলা করব তার একটা সঠিক চিত্র এই বাজেটে আসা দরকার।

গত বছরের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানে হত্যা-নির‌্যাতনের মুখে এখন পর‌্যন্ত সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়।