ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পোশাককর্মী পারভীন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সায়েদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য দুজন হলেন- জহিরুল ইসলাম ও ইউনুছ। এদের মধ্যে ইউনুছ পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্তদের সবার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায়।

২০১০ সালের ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত নয়টি মামলার মধ্যে আজ একটির রায় দেয়া হল। ১১ জন নারী হত্যার দায়ে অভিযুক্ত রসু খাঁ বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে আছেন।

চাঁদপুরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ ভালবাসার কাছে হেরে গিয়ে জিদে এক সময় সিরিয়ার কিলার হয়ে যান।

২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর ঢাকার টঙ্গীর নিরাশপুর থেকে রসু খাঁকে আটক হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সিরিয়াল কিলিংয়ের মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য। একে একে ১১ জন নারীকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন রসু খাঁ।

পরবর্তীতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানন্দিতেও ১১ খুনের বর্ণনা দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি জানান, তার ইচ্ছা ছিল ১০১ নারীকে খুন করে সিলেট মাজারে গিয়ে সন্যাসী হওয়ার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৪৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পোশাককর্মী পারভীন ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. সায়েদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত অন্য দুজন হলেন- জহিরুল ইসলাম ও ইউনুছ। এদের মধ্যে ইউনুছ পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্তদের সবার বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায়।

২০১০ সালের ফরিদগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত নয়টি মামলার মধ্যে আজ একটির রায় দেয়া হল। ১১ জন নারী হত্যার দায়ে অভিযুক্ত রসু খাঁ বর্তমানে চাঁদপুর জেলা কারাগারে আছেন।

চাঁদপুরের মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ ভালবাসার কাছে হেরে গিয়ে জিদে এক সময় সিরিয়ার কিলার হয়ে যান।

২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর ঢাকার টঙ্গীর নিরাশপুর থেকে রসু খাঁকে আটক হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে সিরিয়াল কিলিংয়ের মতো চাঞ্চল্যকর তথ্য। একে একে ১১ জন নারীকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন রসু খাঁ।

পরবর্তীতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিরুল ইসলামের কাছে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানন্দিতেও ১১ খুনের বর্ণনা দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি জানান, তার ইচ্ছা ছিল ১০১ নারীকে খুন করে সিলেট মাজারে গিয়ে সন্যাসী হওয়ার।