ঢাকা ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

গাজীপুরে আগুনে পুড়লো সুতা কারখানা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর কোনাবাড়ির বিসিক এলাকায় কাদের সিনথেটিক ফাইবার্স লিমিটেড নামের একটি সুতা তৈরি কারখানায় আগুনে পুড়ে গেছে বিপুল পরিমাণ সুতা, তুলা ও মেশিনারিজ। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। কারখানাটিতে প্রায় আগুন লাগে উল্লেখ করে এটি ইচ্ছাকৃত কি না তা ক্ষতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান লিটন জানান, রবিবার রাত দুইটার দিকে কাদের সিনথেটিক ফাইবার্স কারখানার কমপ্যাক্ট স্পিনিং সেকশনের ২য় তলা ভবনের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গাজীপুর, কালিয়াকৈর, টঙ্গী, উত্তরা, ইপিজেড ও ডিবিএলসহ আশেপাশের ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট প্রায় ৭ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে কারখানার বিপুল পরিমাণ সুতা, তুলা ও মেশিনারিজ পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরো জানান, ভবনটির উপরের অংশ স্টিলের কাঠামো দিয়ে তৈরী। কারখানার নিজস্ব ফায়ার ফাইটার কর্মীরা সময়মতো ব্যবস্থা নিতে না পারায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া আশেপাশে পানি ব্যবস্থা না থাকায় আগুনে নেভাতে বেশি সময় লেগেছে।

কারখানাটির ইলেকট্রিকাল ম্যানেজার বলেন, রাত দুই টায় আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে তারাও আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন। রাতের শিফটে ওই সেকশনের ৩শ শ্রমিক কাজ করছিলেন। আগুন লাগার পর তারা সবাই বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

কারখানার শ্রমিকরা জানায়, আগুন লাগার পর শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে কারখানা থেকে বের হতে সক্ষম হন। এ কারণে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুন লাগার কারণে তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সকালে কারখানা ভবনের টিনসেডের ছাদের একাংশ ধসে পড়ে। এর আগে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি কারখানাটিতে আগুন লেগেছিল বলে জানান তারা।

কারখানার ক্ষয়ক্ষতি ও আগুন লাগার কারণ জানতে চাইলে একে একটি দুর্ঘটনা উল্লেখ করে কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ওয়াজেদ মিয়া কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

এদিকে আগুনে লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগীয় সহকারী পরিচালক দেবাশিষ বর্ধনকে প্রধান করে তিন সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে আগুনে পুড়লো সুতা কারখানা

আপডেট সময় ০২:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর কোনাবাড়ির বিসিক এলাকায় কাদের সিনথেটিক ফাইবার্স লিমিটেড নামের একটি সুতা তৈরি কারখানায় আগুনে পুড়ে গেছে বিপুল পরিমাণ সুতা, তুলা ও মেশিনারিজ। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। কারখানাটিতে প্রায় আগুন লাগে উল্লেখ করে এটি ইচ্ছাকৃত কি না তা ক্ষতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান লিটন জানান, রবিবার রাত দুইটার দিকে কাদের সিনথেটিক ফাইবার্স কারখানার কমপ্যাক্ট স্পিনিং সেকশনের ২য় তলা ভবনের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গাজীপুর, কালিয়াকৈর, টঙ্গী, উত্তরা, ইপিজেড ও ডিবিএলসহ আশেপাশের ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট প্রায় ৭ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে কারখানার বিপুল পরিমাণ সুতা, তুলা ও মেশিনারিজ পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরো জানান, ভবনটির উপরের অংশ স্টিলের কাঠামো দিয়ে তৈরী। কারখানার নিজস্ব ফায়ার ফাইটার কর্মীরা সময়মতো ব্যবস্থা নিতে না পারায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া আশেপাশে পানি ব্যবস্থা না থাকায় আগুনে নেভাতে বেশি সময় লেগেছে।

কারখানাটির ইলেকট্রিকাল ম্যানেজার বলেন, রাত দুই টায় আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে তারাও আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেন। রাতের শিফটে ওই সেকশনের ৩শ শ্রমিক কাজ করছিলেন। আগুন লাগার পর তারা সবাই বের হয়ে আসতে সক্ষম হন।

কারখানার শ্রমিকরা জানায়, আগুন লাগার পর শ্রমিকরা হুড়োহুড়ি করে কারখানা থেকে বের হতে সক্ষম হন। এ কারণে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুন লাগার কারণে তাদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সকালে কারখানা ভবনের টিনসেডের ছাদের একাংশ ধসে পড়ে। এর আগে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি কারখানাটিতে আগুন লেগেছিল বলে জানান তারা।

কারখানার ক্ষয়ক্ষতি ও আগুন লাগার কারণ জানতে চাইলে একে একটি দুর্ঘটনা উল্লেখ করে কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ওয়াজেদ মিয়া কোন মন্তব্য করতে রাজী হননি।

এদিকে আগুনে লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগীয় সহকারী পরিচালক দেবাশিষ বর্ধনকে প্রধান করে তিন সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।