ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের কাদিরাবাদ সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের ষষ্ঠ কোরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আধুনিক, উন্নত ও সুখীসমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সেনাবাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব। আর ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে যেন কেউ অবহেলা করতে না পারে। আমরা নিজেদের অর্থায়নে দেশের উন্নয়নের ৯০ শতাংশ কাজই নিজস্ব অর্থায়নে করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। থ্রিজির পর ফোরজি যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।

‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। মানুষ এখন উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছি। দেশে বর্তমানে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। দারিদ্র্যতার হার ২০০৫ সালের ৪১ শতাংশ থেকে কমে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। মাথাপিছু আয় ২০০৫ সালের ৫৪৩ ডলার থেকে বেড়ে এক হাজার ৬১০ ডলার হয়েছে। একই সময়ে রফতানি আয় ও রেমিট্যান্সের পরিমাণ তিনগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরে বৈদেশিক বিনিয়োগ তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার’, উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছি। এতে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে। আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে বসাতে চাই। এ জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। কোনো অশুভ ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেন দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে বলেন তিনি। সেনাবাহিনী প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি উন্নত, পেশাদার ও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে একটি প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেন। তার আলোকে আমরা ‘আর্মড ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়ন করে সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি।

‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী একাগ্রতা, কর্মদক্ষতা এবং নানাবিধ সেবামূলক কার্যক্রমের জন্য সার্বজনীন আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে সেনাসদস্যদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে। যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর দুর্ঘটনায় দুর্গতদের সাহায্য ও সহযোগিতা করে সশস্ত্র বাহিনী অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’, যোগ করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংবিধান ও দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের কাদিরাবাদ সেনানিবাসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের ষষ্ঠ কোরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবেলায় সেনাবাহিনীকে সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আধুনিক, উন্নত ও সুখীসমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সেনাবাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব। আর ২০৪১ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বাংলাদেশ।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে যেন কেউ অবহেলা করতে না পারে। আমরা নিজেদের অর্থায়নে দেশের উন্নয়নের ৯০ শতাংশ কাজই নিজস্ব অর্থায়নে করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। থ্রিজির পর ফোরজি যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ।

‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। মানুষ এখন উন্নয়নের সুফল ভোগ করছে। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছি। দেশে বর্তমানে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। দারিদ্র্যতার হার ২০০৫ সালের ৪১ শতাংশ থেকে কমে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। মাথাপিছু আয় ২০০৫ সালের ৫৪৩ ডলার থেকে বেড়ে এক হাজার ৬১০ ডলার হয়েছে। একই সময়ে রফতানি আয় ও রেমিট্যান্সের পরিমাণ তিনগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরে বৈদেশিক বিনিয়োগ তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার’, উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছি। এতে এক কোটি লোকের কর্মসংস্থান হবে। আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে বসাতে চাই। এ জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। কোনো অশুভ ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেন দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে বলেন তিনি। সেনাবাহিনী প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি উন্নত, পেশাদার ও প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে একটি প্রতিরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করেন। তার আলোকে আমরা ‘আর্মড ফোর্সেস গোল-২০৩০’ প্রণয়ন করে সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছি।

‘দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী একাগ্রতা, কর্মদক্ষতা এবং নানাবিধ সেবামূলক কার্যক্রমের জন্য সার্বজনীন আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে সেনাসদস্যদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে। যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর দুর্ঘটনায় দুর্গতদের সাহায্য ও সহযোগিতা করে সশস্ত্র বাহিনী অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে’, যোগ করেন তিনি।