ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে ক্ষোভ ঝাড়লেন হাসনাত আব্দুল্লাহ উন্নয়নমূলক কাজে ইউনিয়নভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে: ডেপুটি স্পিকার দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব সংস্কৃতিচর্চায় শিক্ষার্থীদের উগ্র চিন্তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায় : ববি হাজ্জাজ সংকট না থাকলে রাস্তায় তেলের জন্য ৩ কিমি লম্বা লাইন কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, আর দেশে বাড়ছে: জামায়াত আমির অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ সোমবার থেকে সারা দেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু

চিকিৎসা অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, গ্রেফতার ২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

সোমবার প্রসূতির স্বামী শিবেন হালদার শেরপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। এর আগে রোববার সকালে শেরুয়া পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুতুল হালদার (৩০) উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদারের স্ত্রী।

মামলায় আসামিরা হলেন, হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত গাইনি সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ম্যানেজার শেরপুরের চন্ডেশর গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় একই এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে ইউসুফ আলী। গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন আমিনুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী।

অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর স্ত্রী পুতুল হালদারকে পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকাল ৮টার দিকে পুতুলকে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

আয়া ও নার্সরা জানায়, নবজাতক মারা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় পুতুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ৩-৪ ঘণ্টা আগেই পুতুলের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুতুলের লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের

চিকিৎসা অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০১:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

সোমবার প্রসূতির স্বামী শিবেন হালদার শেরপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। এর আগে রোববার সকালে শেরুয়া পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুতুল হালদার (৩০) উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদারের স্ত্রী।

মামলায় আসামিরা হলেন, হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত গাইনি সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ম্যানেজার শেরপুরের চন্ডেশর গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় একই এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে ইউসুফ আলী। গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন আমিনুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী।

অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর স্ত্রী পুতুল হালদারকে পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকাল ৮টার দিকে পুতুলকে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

আয়া ও নার্সরা জানায়, নবজাতক মারা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় পুতুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ৩-৪ ঘণ্টা আগেই পুতুলের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুতুলের লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।