ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চিকিৎসা অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, গ্রেফতার ২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

সোমবার প্রসূতির স্বামী শিবেন হালদার শেরপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। এর আগে রোববার সকালে শেরুয়া পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুতুল হালদার (৩০) উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদারের স্ত্রী।

মামলায় আসামিরা হলেন, হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত গাইনি সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ম্যানেজার শেরপুরের চন্ডেশর গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় একই এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে ইউসুফ আলী। গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন আমিনুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী।

অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর স্ত্রী পুতুল হালদারকে পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকাল ৮টার দিকে পুতুলকে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

আয়া ও নার্সরা জানায়, নবজাতক মারা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় পুতুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ৩-৪ ঘণ্টা আগেই পুতুলের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুতুলের লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চিকিৎসা অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০১:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

সোমবার প্রসূতির স্বামী শিবেন হালদার শেরপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। এর আগে রোববার সকালে শেরুয়া পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুতুল হালদার (৩০) উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদারের স্ত্রী।

মামলায় আসামিরা হলেন, হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত গাইনি সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ম্যানেজার শেরপুরের চন্ডেশর গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় একই এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে ইউসুফ আলী। গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন আমিনুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী।

অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর স্ত্রী পুতুল হালদারকে পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকাল ৮টার দিকে পুতুলকে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

আয়া ও নার্সরা জানায়, নবজাতক মারা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় পুতুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ৩-৪ ঘণ্টা আগেই পুতুলের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুতুলের লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।