ঢাকা ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তিন দাবিতে শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নি মহাসমাবেশ ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি সরকারের স্বচ্ছতার নিদর্শন: ত্রাণমন্ত্রী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে সরকারের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ককরোচ জনতা পার্টির চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা চলছে

চিকিৎসা অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, গ্রেফতার ২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

সোমবার প্রসূতির স্বামী শিবেন হালদার শেরপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। এর আগে রোববার সকালে শেরুয়া পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুতুল হালদার (৩০) উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদারের স্ত্রী।

মামলায় আসামিরা হলেন, হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত গাইনি সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ম্যানেজার শেরপুরের চন্ডেশর গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় একই এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে ইউসুফ আলী। গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন আমিনুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী।

অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর স্ত্রী পুতুল হালদারকে পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকাল ৮টার দিকে পুতুলকে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

আয়া ও নার্সরা জানায়, নবজাতক মারা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় পুতুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ৩-৪ ঘণ্টা আগেই পুতুলের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুতুলের লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়

চিকিৎসা অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যু, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০১:৫৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার শেরপুরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় প্রসূতিসহ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

সোমবার প্রসূতির স্বামী শিবেন হালদার শেরপুর থানায় চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করলে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। এর আগে রোববার সকালে শেরুয়া পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত পুতুল হালদার (৩০) উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদারের স্ত্রী।

মামলায় আসামিরা হলেন, হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত গাইনি সার্জন ডা. লুৎফুন নেছা, ম্যানেজার শেরপুরের চন্ডেশর গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় একই এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে ইউসুফ আলী। গ্রেফতারকৃত দুজন হলেন আমিনুল ইসলাম ও ইউসুফ আলী।

অভিযোগে জানা গেছে, শেরপুর উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়নের ঝাঁঝর গ্রামের শিবেন হালদার গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে প্রসব যন্ত্রণায় কাতর স্ত্রী পুতুল হালদারকে পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালে ভর্তি করেন। রোববার সকাল ৮টার দিকে পুতুলকে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়।

আয়া ও নার্সরা জানায়, নবজাতক মারা গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় পুতুলকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, ৩-৪ ঘণ্টা আগেই পুতুলের মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে পুতুলের লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, পালস্ জেনারেল (প্রা.) হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম ও ওয়ার্ডবয় ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ ব্যাপারে হাসপাতালের মালিক ডা. আখতারুল আলম আজাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।