অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দিনাজপুরে স্বামীকে তালাক দেয়ায় ক্ষোভে স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে এসে কোপাতে থাকে স্বামী শুভ। এতে বাধা দেয়ায় স্ত্রীর বড় বোনকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে খুন করে শুভসহ সঙ্গীরা। আহতকে উদ্ধার করে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামীকে এলাকাবাসী গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। সঙ্গে থাকা বাকিরা পালিয়ে যায়।
সোমবার বিকাল ৩টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলা চত্বরের কাছে ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মর্জিনা আক্তার (৩৭) চিরিরবন্দর সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মচারী আমিনুর রশিদ বকুলের স্ত্রী ও আহত সোনিয়া খাতুন (৩৪) তারই শ্যালিকা। আমিনুর রশিদের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়।
জানা যায়, বোনের বাসায় থাকা অবস্থায় ফাতেমা খাতুন সোনিয়ার সঙ্গে মোবাইলে প্রেম হয় কুমিল্লার আব্দুল্লাহ শুভ সঙ্গে। তারা কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করেন। সোনিয়া শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন শুভর আরেক স্ত্রী রয়েছে। পরে সোনিয়া সেখান থেকে চলে এসে স্বামীকে তালাক দেয়।
সোমবার বিকাল ৩টার দিকে শুভ ২ জনকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা চত্বরের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তারা এলোপাতাড়ি সোনিয়াকে কোপাতে থাকলে বড় বোন মর্জিনা আক্তার বাধা দেয়। এ সময় শুভসহ অন্য ২ জন মর্জিনাকেও কোপায়। এতে ঘটনাস্থলেই মর্জিনার মৃত্যু হয়। পরে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে শুভকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাকি ২ জন পালিয়ে যায়। বিকালে আহত সোনিয়া ও অভিযুক্ত শুভকে দিনাজপুর এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিরিরবন্দর থানার ওসি হারেসুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























