ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের প্রতিবাদে মেয়ে কোলে নিয়ে খবর পড়লেন উপস্থাপিকা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আট বছরের শিশু জয়নাব আনসারিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান। ‘জাস্টিস ফর জয়নাব’ স্লোগান দেশজুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে একটু ভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানালেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় এক টেলিভিশন উপস্থাপিকা। নিজের ছোট্ট মেয়েকে কোলে বসিয়ে খবর পড়লেন সামা টিভির উপস্থাপিকা কিরণ নাজ।

মেয়েকে কোলে নিয়ে খবর পড়তে বসে কিরণ বলেন, আজ আমি আপনাদের সামনে সঞ্চালক নই, এক জন মা হিসেবে এসেছি। আর তাই সঙ্গে নিয়ে এসেছি মেয়েকে। পাকিস্তান আজ প্রচণ্ড ভারী এক কফিন বইছে। এটা শুধু একটা শিশুর খুন নয়, গোটা সমাজের খুন।

গত সপ্তাহে আট বছরের শিশু জয়নাবকে পাকিস্তানের কাসুর থেকে অপহরণ করে দুষ্কৃতকারীরা। জয়নাবকে এক আত্মীয়ের কাছে রেখে, তার বাড়ির লোকজন সৌদি আরবে উমরাহ (তীর্থযাত্রা) করতে গিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, জয়নাব যখন কুরআন ক্লাসে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বুধবার কাসুর শহরেরই একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে উদ্ধার হয় জয়নাবের মৃতদেহ। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুসছে গোটা পাকিস্তান। সিসিটিভি ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও কেন অপরাধীদের ধরা যাচ্ছে না, তা নিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। প্রতিবাদীদের ঠেকাতে গুলি চালাতে হয়েছে। তাতে মৃত্যু হয়েছে দুই বিক্ষোভকারীর। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বড় নিয়োগ দিচ্ছে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র

ধর্ষণের প্রতিবাদে মেয়ে কোলে নিয়ে খবর পড়লেন উপস্থাপিকা

আপডেট সময় ০৮:৫৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আট বছরের শিশু জয়নাব আনসারিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান। ‘জাস্টিস ফর জয়নাব’ স্লোগান দেশজুড়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে একটু ভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানালেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় এক টেলিভিশন উপস্থাপিকা। নিজের ছোট্ট মেয়েকে কোলে বসিয়ে খবর পড়লেন সামা টিভির উপস্থাপিকা কিরণ নাজ।

মেয়েকে কোলে নিয়ে খবর পড়তে বসে কিরণ বলেন, আজ আমি আপনাদের সামনে সঞ্চালক নই, এক জন মা হিসেবে এসেছি। আর তাই সঙ্গে নিয়ে এসেছি মেয়েকে। পাকিস্তান আজ প্রচণ্ড ভারী এক কফিন বইছে। এটা শুধু একটা শিশুর খুন নয়, গোটা সমাজের খুন।

গত সপ্তাহে আট বছরের শিশু জয়নাবকে পাকিস্তানের কাসুর থেকে অপহরণ করে দুষ্কৃতকারীরা। জয়নাবকে এক আত্মীয়ের কাছে রেখে, তার বাড়ির লোকজন সৌদি আরবে উমরাহ (তীর্থযাত্রা) করতে গিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, জয়নাব যখন কুরআন ক্লাসে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বুধবার কাসুর শহরেরই একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে উদ্ধার হয় জয়নাবের মৃতদেহ। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুসছে গোটা পাকিস্তান। সিসিটিভি ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও কেন অপরাধীদের ধরা যাচ্ছে না, তা নিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। প্রতিবাদীদের ঠেকাতে গুলি চালাতে হয়েছে। তাতে মৃত্যু হয়েছে দুই বিক্ষোভকারীর। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।