ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী সৌদি আরবে আরামকো’র হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ফ্রান্সে ১১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ

হাতীবান্ধায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার টাকা দিয়ে মিমাংসা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া এই মিমাংসা করেন বলেন জানাগেছে। এরআগে গত ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে মেয়েটিকে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য। গত কয়েকদিন ধরে শিশুটি রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বাড়ি ফিরে।

এ বিষয়ে একাধিক বার যোগাযোগ করেও ধর্ষক পরিবারের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ধর্ষকের চাচী সোর্বা রানী জানান, বাড়ি ছেড়ে সবাই চলে গেছে। মিমাংসা হওয়ার পথে। মিমাংসা হলে তারা বাসায় ফিরবে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক ব্যাক্তি জানান, ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে। তার মধ্যে মেয়ের বাবা ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও চেয়ারম্যান ১ লক্ষ টাকা নিয়েছে।

জানাগেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য তার প্রতিবেশী ২য় শ্রেনীর ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির পরিবার বুঝতে পেরে ওই দিন রাতে হাতীবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে লালমনিরহাট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে তারা রংপুর হাসপাতালে চিাকৎসা শেষে গতকাল ২৮ ডিসেম্বর বাসায় ফিরে আসে।

ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা জানান, ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে নিত্যের ভাতিজির মায়ার সাথে খেলছিল আমার মেয়ে। এসময় নিত্য আমার মেয়েকে জোর করে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির বাবা জানান, মেয়েটির বিয়ে দিতে হবে তাই আমি কোন ঝামেলা চাই না। চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে সে যা করবে তাই। এ বিষয়ে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া জানান, আমি কিছু জানি না। আর আমি কোন মিমাংসা করি নাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হোসেন সরদার জানান, মেয়েটি যে দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল তখন হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তখন তারা বলেছে চিকিৎসা শেষে থানায় এসে মামলা করবে। তবে এখন পর্যন্ত তারা থানায় আসে নাই। আর মিমাংসার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি জানলাম আজ আবারও পুলিশ পাঠায় দিব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি

হাতীবান্ধায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের শিকার টাকা দিয়ে মিমাংসা

আপডেট সময় ০৩:৩২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় ২য় শ্রেনীর ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংসা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া এই মিমাংসা করেন বলেন জানাগেছে। এরআগে গত ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে মেয়েটিকে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য। গত কয়েকদিন ধরে শিশুটি রংপুর হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বৃহস্পতিবার বাড়ি ফিরে।

এ বিষয়ে একাধিক বার যোগাযোগ করেও ধর্ষক পরিবারের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ধর্ষকের চাচী সোর্বা রানী জানান, বাড়ি ছেড়ে সবাই চলে গেছে। মিমাংসা হওয়ার পথে। মিমাংসা হলে তারা বাসায় ফিরবে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক ব্যাক্তি জানান, ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে। তার মধ্যে মেয়ের বাবা ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও চেয়ারম্যান ১ লক্ষ টাকা নিয়েছে।

জানাগেছে, গত ১৮ ডিসেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলার ধওলাই গ্রামের বাসিন্দা ধিজেন্দ্র নাথের ছেলে নিত্য তার প্রতিবেশী ২য় শ্রেনীর ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ঢুকিয়ে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটির পরিবার বুঝতে পেরে ওই দিন রাতে হাতীবান্ধা হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানকার কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে লালমনিরহাট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। সেখান থেকে তারা রংপুর হাসপাতালে চিাকৎসা শেষে গতকাল ২৮ ডিসেম্বর বাসায় ফিরে আসে।

ধর্ষণের শিকার মেয়েটির মা জানান, ১৮ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে নিত্যের ভাতিজির মায়ার সাথে খেলছিল আমার মেয়ে। এসময় নিত্য আমার মেয়েকে জোর করে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে টয়লেটে ডুকিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির বাবা জানান, মেয়েটির বিয়ে দিতে হবে তাই আমি কোন ঝামেলা চাই না। চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে সে যা করবে তাই। এ বিষয়ে নওদাবাস ইউপি চেয়ারম্যান অশ্বনী কুমার বসুনিয়া জানান, আমি কিছু জানি না। আর আমি কোন মিমাংসা করি নাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হোসেন সরদার জানান, মেয়েটি যে দিন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল তখন হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তখন তারা বলেছে চিকিৎসা শেষে থানায় এসে মামলা করবে। তবে এখন পর্যন্ত তারা থানায় আসে নাই। আর মিমাংসার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি জানলাম আজ আবারও পুলিশ পাঠায় দিব।