ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরুর সময় নিশ্চিত নন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের ‍মুখে দেশটি থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে সেটি এখনও প্রশ্ন হয়ে রইলো। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীও নিশ্চিত নন কবে শুরু করা যাবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঠিক কবে থেকে রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে সেটা বলা যাবে না। সেটা তো বড় কথা নয়। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন হয়েছে। খুব শিগগির রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে।’

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে দুই দেশের মধ্যে হয় সমঝোতা। কিন্তু কবে থেকে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে শুরু করবে- এটা এখনও এক বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে।

১৯৮২ সাল থেকে বিরতি দিয়ে নানা সময় রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযান শুরুর পর প্রতিবারই প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে ছুটে এসেছে রোহিঙ্গারা। এমনিতেই জনাধিক্যের বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা তৈরি করেছে বাড়তি চাপ। তাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ৮০ দশক থেকেই মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু দেশটি এখন পর্যন্ত সমঝোতা বা চুক্তির বাস্তবায়ন করেনি। আর রোহিঙ্গারাও ফিরে যায়নি দেশে।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর নভেম্বরের শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দুই মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়ে আশাবাদের কথা বলেছিলেন। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে এক মাস। কিন্তু এখনও কোন প্রক্রিয়ায় এবং কীভাবে রোহিঙ্গারা ফিরবে, এ বিষয়ে আলোচনাই শুরু হয়নি।

মঙ্গলবার দুই দেশের মধ্যে যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন হয়েছে, সেই গ্রুপই নিজেদের মধ্যে বসে এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে। নির্দিষ্ট সময় বলতে না পারলেও ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছার আশা করছে ঢাকা। তার মানে নভেম্বরে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের সময় দুই মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরুর যে আশার কথা জানিয়েছিলেন কর্মকর্তারা, সেটির বাস্তবায়ন হচ্ছে না-এটা নিশ্চিত।

তাহলে কবে থেকে ফিরবে রোহিঙ্গারা-এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দুই দেশে আমরা একসাথে কাজ করছি। তাদের সাথে আামাদের যে চুক্তি হয়েছে তাতে আমি আশাবাদী।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরুর সময় নিশ্চিত নন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:১৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানের ‍মুখে দেশটি থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে সেটি এখনও প্রশ্ন হয়ে রইলো। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীও নিশ্চিত নন কবে শুরু করা যাবে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঠিক কবে থেকে রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে সেটা বলা যাবে না। সেটা তো বড় কথা নয়। যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন হয়েছে। খুব শিগগির রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে।’

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে দুই দেশের মধ্যে হয় সমঝোতা। কিন্তু কবে থেকে রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে শুরু করবে- এটা এখনও এক বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে।

১৯৮২ সাল থেকে বিরতি দিয়ে নানা সময় রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযান শুরুর পর প্রতিবারই প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে ছুটে এসেছে রোহিঙ্গারা। এমনিতেই জনাধিক্যের বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা তৈরি করেছে বাড়তি চাপ। তাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ৮০ দশক থেকেই মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু দেশটি এখন পর্যন্ত সমঝোতা বা চুক্তির বাস্তবায়ন করেনি। আর রোহিঙ্গারাও ফিরে যায়নি দেশে।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর নভেম্বরের শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দুই মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়ে আশাবাদের কথা বলেছিলেন। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে এক মাস। কিন্তু এখনও কোন প্রক্রিয়ায় এবং কীভাবে রোহিঙ্গারা ফিরবে, এ বিষয়ে আলোচনাই শুরু হয়নি।

মঙ্গলবার দুই দেশের মধ্যে যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন হয়েছে, সেই গ্রুপই নিজেদের মধ্যে বসে এই বিষয়গুলো চূড়ান্ত করবে। নির্দিষ্ট সময় বলতে না পারলেও ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছার আশা করছে ঢাকা। তার মানে নভেম্বরে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের সময় দুই মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরুর যে আশার কথা জানিয়েছিলেন কর্মকর্তারা, সেটির বাস্তবায়ন হচ্ছে না-এটা নিশ্চিত।

তাহলে কবে থেকে ফিরবে রোহিঙ্গারা-এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দুই দেশে আমরা একসাথে কাজ করছি। তাদের সাথে আামাদের যে চুক্তি হয়েছে তাতে আমি আশাবাদী।’