ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ বিলিয়ন ডলার: পলক

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

২০২১ সালের মধ্যে দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে লক্ষমাত্রা পাঁচ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। রবিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী দূত সম্মেলনের প্রথম দিনের শেষ সেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, `২০২১ সালের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারে নিতে চাই। তার জন্য আমরা প্রোডাক্ট ডাইভারসিকেশন এবং মার্কেট ডাইভারসিকেশন নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের হার্ডওয়্যার সফটওয়্যার এবং সার্ভিস সেক্টরে কোথায় মনযোগ দিতে হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

পলক বলেন, ‘আমাদের সিকিউরিটি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা এবং এর পাশাপাশি ডিজিটাল মেটেরিয়াল যে ইলেকট্রনিক্সগুলো আছে সেগুলোকে কীভাবে আরও বেশি গ্লোবাল করা যায় সেটা নিয়ে কথা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের টার্গেট রেচিপিয়ান দেশসমূহ ও অনলাইনে আমাদের প্রেজেন্স কতখানি বাড়াতে হবে এবং আমাদের ডিজিটাল রেপুটেশন নিয়ে কথা হয়েছে।’

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে পলক বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে ডিল্পমেসিতে কমউনিকেশন নেটওয়ার্কিং খুবই গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা যে ফোর্থ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রেভুলেশনে আছি সেখানে কীভাবে আমাদের দেশের হিউম্যান রিসোর্চকে স্কিল সেক্টরে পরিণত করতে পারি সেটা নিয়ে রাষ্ট্রদূত ও অ্যাম্বাসেডরদের সাথে আলোচনা হয়েছে।’

এর আগে, সকালে তিন দিনব্যাপী এ দূত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কূটনীতিকদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আপনারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষা করে, দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। কীভাবে দেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানো যায় তাও দেখতে হবে।’

তিন দিনের এই সম্মেলনের প্রথম দিনে বিভিন্ন সেশনে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সম্মেলনে ৫৮ দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আবাসিক প্রতিনিধিরা বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

২০২১ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ বিলিয়ন ডলার: পলক

আপডেট সময় ১২:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

২০২১ সালের মধ্যে দেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতে লক্ষমাত্রা পাঁচ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। রবিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী দূত সম্মেলনের প্রথম দিনের শেষ সেশন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, `২০২১ সালের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারে নিতে চাই। তার জন্য আমরা প্রোডাক্ট ডাইভারসিকেশন এবং মার্কেট ডাইভারসিকেশন নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের হার্ডওয়্যার সফটওয়্যার এবং সার্ভিস সেক্টরে কোথায় মনযোগ দিতে হবে সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

পলক বলেন, ‘আমাদের সিকিউরিটি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা এবং এর পাশাপাশি ডিজিটাল মেটেরিয়াল যে ইলেকট্রনিক্সগুলো আছে সেগুলোকে কীভাবে আরও বেশি গ্লোবাল করা যায় সেটা নিয়ে কথা হয়েছে। বর্তমানে আমাদের টার্গেট রেচিপিয়ান দেশসমূহ ও অনলাইনে আমাদের প্রেজেন্স কতখানি বাড়াতে হবে এবং আমাদের ডিজিটাল রেপুটেশন নিয়ে কথা হয়েছে।’

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে পলক বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে ডিল্পমেসিতে কমউনিকেশন নেটওয়ার্কিং খুবই গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা যে ফোর্থ ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রেভুলেশনে আছি সেখানে কীভাবে আমাদের দেশের হিউম্যান রিসোর্চকে স্কিল সেক্টরে পরিণত করতে পারি সেটা নিয়ে রাষ্ট্রদূত ও অ্যাম্বাসেডরদের সাথে আলোচনা হয়েছে।’

এর আগে, সকালে তিন দিনব্যাপী এ দূত সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কূটনীতিকদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আপনারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষা করে, দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। কীভাবে দেশে আরও বিনিয়োগ বাড়ানো যায় তাও দেখতে হবে।’

তিন দিনের এই সম্মেলনের প্রথম দিনে বিভিন্ন সেশনে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কূটনীতিকদের উদ্দেশ্যে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষার দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ সম্মেলনে ৫৮ দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও আবাসিক প্রতিনিধিরা বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।