ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

কুমিল্লায় ভাড়াটিয়া হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লা নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়ায় ভাড়াটিয়া মাসুদুর রহমান হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার দিনভর নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকার জিয়া উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান মান্না (৩০) ও সদর উপজেলার মাঝিগাছা নন্দিরবাজার এলাকার তাহের মেম্বারের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৪)। ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান মান্না ৪ নং কাপ্তান বাজার এলাকার সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআই’র কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ জানান, মাসুদ হত্যা মামলায় নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়ায় সুমন ভিলার মালিক, অন্য ভাড়াটিয়া এবং হত্যা ঘটনার পর আটক জুম্মানের সহযোগিতায় তাদেরকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়েছে পিবিআই। তাদের দেওয়া তথ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্লু উদঘাটন করে ছবি দেখালে কর্তৃপক্ষ তাদেরকে চিনতে পারে।

তারপর শুক্রবার দুপুরে নগরীর কাপ্তান বাজার থেকে মান্না ও তার সহযোগী জসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন তারা। তবে তাদের চক্রে আরো ৩/৪ জন্য সদস্য রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আগামীকাল শনিবার পিবিআই সংবাদ সম্মেলন করবে বলে জানান পিবিআইর কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ।

উল্লেখ গত ১৯ নভেম্বর রাতে কুমিল্লার নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়ায় ভাড়াটিয়া মাসুদুর রহমানকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। মাসুদুর রহমান মজুমদার চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সুবর্ণপুর গ্রামের শামছুল হক মজুমদারের ছেলে। তিনি কুমিল্লায় আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি করতেন। মাসুদ হত্যার ঘটনায় তার ছোট ভাই মাহফুজ মজুমদার বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি দিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা দুটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ওইদিন রবিবার রাতে মাসুদ হত্যার ঘটনার পর বাড়ির তত্ত্বাবধানে থাকা জুম্মান নামে একজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ভাড়াটিয়া হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৮:৪৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লা নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়ায় ভাড়াটিয়া মাসুদুর রহমান হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার দিনভর নগরীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নগরীর কাপ্তান বাজার এলাকার জিয়া উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান মান্না (৩০) ও সদর উপজেলার মাঝিগাছা নন্দিরবাজার এলাকার তাহের মেম্বারের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩৪)। ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান মান্না ৪ নং কাপ্তান বাজার এলাকার সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআই’র কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ জানান, মাসুদ হত্যা মামলায় নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়ায় সুমন ভিলার মালিক, অন্য ভাড়াটিয়া এবং হত্যা ঘটনার পর আটক জুম্মানের সহযোগিতায় তাদেরকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়েছে পিবিআই। তাদের দেওয়া তথ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্লু উদঘাটন করে ছবি দেখালে কর্তৃপক্ষ তাদেরকে চিনতে পারে।

তারপর শুক্রবার দুপুরে নগরীর কাপ্তান বাজার থেকে মান্না ও তার সহযোগী জসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিকভাবে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেছেন তারা। তবে তাদের চক্রে আরো ৩/৪ জন্য সদস্য রয়েছে। তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আগামীকাল শনিবার পিবিআই সংবাদ সম্মেলন করবে বলে জানান পিবিআইর কুমিল্লা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আপেল মাহমুদ।

উল্লেখ গত ১৯ নভেম্বর রাতে কুমিল্লার নগরীর নতুন চৌধুরী পাড়ায় ভাড়াটিয়া মাসুদুর রহমানকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। মাসুদুর রহমান মজুমদার চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সুবর্ণপুর গ্রামের শামছুল হক মজুমদারের ছেলে। তিনি কুমিল্লায় আবুল খায়ের গ্রুপে চাকরি করতেন। মাসুদ হত্যার ঘটনায় তার ছোট ভাই মাহফুজ মজুমদার বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি দিয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা দুটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। ওইদিন রবিবার রাতে মাসুদ হত্যার ঘটনার পর বাড়ির তত্ত্বাবধানে থাকা জুম্মান নামে একজকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।