ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি একবেলা না খেয়ে হলেও প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াতে হবে: এনসিপি এমপি মুজাহিদ শক্তিশালী ইরানের পক্ষ থেকে এই চুক্তি একটি বার্তা: পেজেশকিয়ান সাভারে ঢাকা আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে ফুটপাতে হকার উচ্ছেদ অভিযান এবার মমতাকে বাংলাদেশে চলে আসতে বললেন দিলীপ ঘোষ ব্যারিস্টার সুমনের জামিন চেম্বার আদালতে স্থগিত পরীমনিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার শর্ত না মানলে ইরানের ওপর আবারও নৌ-অবরোধ: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টঙ্গীতে হানি ট্র্যাপে ফেলে দুই যুবককে মারধর-লুট, ৩ জন গ্রেফতার

ব্যবসায়ী অপহরণের অভিযোগে বি.বাড়িয়ায় দুই পুলিশ গ্রেপ্তার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মসজিদ রোড এলাকা থেকে জাকির হোসেন জগত নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। পরে আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এএসআই মো. রফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল মো.শরীফুল ইসলাম ও অপহরণকারী দলের সদস্য আঁখি আক্তার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মসজিদ রোড এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের দেওড়া গ্রামে সার ব্যবসায়ী জাকির হোসেন শহরের জগত বাজার যাচ্ছিলেন। এসময় আঁখি নামে অপহরণকারী দলের এক সদস্য অসুস্থতার কথা বলে শহরের কাজীপাড়া এলাকায় নিজের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য জাকিরকে অনুরোধ করেন।

পরে জাকির তাকে বাসায় পৌঁছে দিতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা এএসআই রফিকুল ও কনস্টেবল শরীফুল ব্যবসায়ীর চোখ বেঁধে ফেলেন। তারা তার কাছে থাকা নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। পরে তার স্বজনদের কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। অন্যথায় মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

পরে জাকিরের স্বজনেরা অপহরণের বিষয়টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশকে জানায়। এরপর মঙ্গলবার ভোর রাতে শহরের কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকিরকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী দলের সদস্য আঁখিকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এএসআই রফিকুল ও কনস্টেবল শরীফুলকে আটক করা হয়। আজ বিকেলে সদর থানা থেকে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলাসহ পুলিশের বিধান অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুইস ব্যাংক: ২০২৫ সালে বাংলাদেশিরা জমা রাখেন সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি

ব্যবসায়ী অপহরণের অভিযোগে বি.বাড়িয়ায় দুই পুলিশ গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৯:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মসজিদ রোড এলাকা থেকে জাকির হোসেন জগত নামে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করার অভিযোগে দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। পরে আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার এএসআই মো. রফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল মো.শরীফুল ইসলাম ও অপহরণকারী দলের সদস্য আঁখি আক্তার।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে মসজিদ রোড এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের দেওড়া গ্রামে সার ব্যবসায়ী জাকির হোসেন শহরের জগত বাজার যাচ্ছিলেন। এসময় আঁখি নামে অপহরণকারী দলের এক সদস্য অসুস্থতার কথা বলে শহরের কাজীপাড়া এলাকায় নিজের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য জাকিরকে অনুরোধ করেন।

পরে জাকির তাকে বাসায় পৌঁছে দিতে গেলে সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা এএসআই রফিকুল ও কনস্টেবল শরীফুল ব্যবসায়ীর চোখ বেঁধে ফেলেন। তারা তার কাছে থাকা নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন। পরে তার স্বজনদের কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারীরা। অন্যথায় মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।

পরে জাকিরের স্বজনেরা অপহরণের বিষয়টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশকে জানায়। এরপর মঙ্গলবার ভোর রাতে শহরের কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাকিরকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী দলের সদস্য আঁখিকে আটক করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এএসআই রফিকুল ও কনস্টেবল শরীফুলকে আটক করা হয়। আজ বিকেলে সদর থানা থেকে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে মামলাসহ পুলিশের বিধান অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।