ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

মুলার বাজারে ধস, কেজি দুই টাকা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কয়েকদিন আগেই পাইকারি বাজারে মুলা প্রতি কেজি ৩০ টাকা ছিল। এ বাজার দরের সংবাদ পুরানো। এখন মুলার মুল্য প্রতিকেজি ২ টাকা কেজি। এমন দরপতনে কৃষকের মাথায় হাত। সপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে মুলা দাম ছিল এক হাজার ২০০ টাকা থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। রোববার সেই মুলা ৮০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজশাহীর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আগাম মুলার চাষ করেন কৃষকেরা। দামও ভাল ছিল। অনেক চাষিই বলেছিল মুলার এমন আকাশছোঁয়া দাম আগে কখনো দেখেনি। কিন্তু সপ্তাহ ব্যবধানে দাম পাতালে ঠেকেছে।

রোববার রাজশাহীর মোহনপুরের বিদিরপুর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, হাটভর্তি মুলা। এছাড়াও আছে ফুলকপি ও বেগুন। এখনো ফুলকপির বাজার হাজার টাকা মণ থাকলেও মুলার মণ মাত্র ৮০ টাকা।

পবার বাগধানী গ্রামের কৃষক আফজাল হোসেন জানান, ১০ শতাংশ জমিতে তিনি মুলা চাষ করেছেন। বিক্রি করেছেন ২৪ হাজার টাকার। তবে এখন আর লাভের মুখ দেখছে না চাষিরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, জেলায় প্রায় এক হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে মুলার আবাদ হয়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক দেব দুলাল ঢালী জানান, এখনো মুলা আবাদের সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপন হয়নি। তবে দাম ভাল থাকায় অনেক আগে থেকে চাষিরা মুলার আবাদ করেছেন। গতবারের চেয়ে রাজশাহী জেলায় সবমিলিয়ে প্রায় দ্বিগুন মুলার আবাদ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মুলার বাজারে ধস, কেজি দুই টাকা

আপডেট সময় ১১:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কয়েকদিন আগেই পাইকারি বাজারে মুলা প্রতি কেজি ৩০ টাকা ছিল। এ বাজার দরের সংবাদ পুরানো। এখন মুলার মুল্য প্রতিকেজি ২ টাকা কেজি। এমন দরপতনে কৃষকের মাথায় হাত। সপ্তাহ আগে পাইকারি বাজারে মুলা দাম ছিল এক হাজার ২০০ টাকা থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। রোববার সেই মুলা ৮০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজশাহীর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আগাম মুলার চাষ করেন কৃষকেরা। দামও ভাল ছিল। অনেক চাষিই বলেছিল মুলার এমন আকাশছোঁয়া দাম আগে কখনো দেখেনি। কিন্তু সপ্তাহ ব্যবধানে দাম পাতালে ঠেকেছে।

রোববার রাজশাহীর মোহনপুরের বিদিরপুর কাঁচাবাজারে গিয়ে দেখা যায়, হাটভর্তি মুলা। এছাড়াও আছে ফুলকপি ও বেগুন। এখনো ফুলকপির বাজার হাজার টাকা মণ থাকলেও মুলার মণ মাত্র ৮০ টাকা।

পবার বাগধানী গ্রামের কৃষক আফজাল হোসেন জানান, ১০ শতাংশ জমিতে তিনি মুলা চাষ করেছেন। বিক্রি করেছেন ২৪ হাজার টাকার। তবে এখন আর লাভের মুখ দেখছে না চাষিরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, জেলায় প্রায় এক হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে মুলার আবাদ হয়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক দেব দুলাল ঢালী জানান, এখনো মুলা আবাদের সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপন হয়নি। তবে দাম ভাল থাকায় অনেক আগে থেকে চাষিরা মুলার আবাদ করেছেন। গতবারের চেয়ে রাজশাহী জেলায় সবমিলিয়ে প্রায় দ্বিগুন মুলার আবাদ হবে।