ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

১শ বছরের মধ্যে ডুবে যাবে চট্টগ্রাম!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

হিমবাহ ও দুই মেরুর বরফ দ্রুত গলছে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকায় আগামী ১০০ বছরের মধ্যে ছোটবড় সব মিলিয়ে বিশ্বের ২৯৩টি শহর পুরোপুরি পানির নিচে ডুবে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা এই আশঙ্কা করেছেন। তালিকায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নামও রয়েছে।

এছাড়া নিউইয়র্ক, লন্ডন, টোকিও, কলম্বো, মুম্বাই, ব্যাঙ্গালোর, হংকং, সাংহাইসহ আরও বেশ কয়েকটি মেগাসিটির নামও রয়েছে অনিবার্য ধ্বংসের এই তালিকায়। গতকাল রোববার কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘১০০ বছর পর তলিয়ে যাবে এই শহরগুলি! বলছে নাসা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীদের এমন ভয়াবহ আশঙ্কার কথা প্রকাশিত হয়েছে।

চট্টগ্রামের হারিয়ে যাওয়া অনিবার্য, এমন দাবি করে নাসার অন্যতম বিজ্ঞানী সুরেন্দ্র অধিকারী বলছেন, রেহাই পাবে না বাংলাদেশের বন্দর শহর চট্টগ্রামও। বিশ্বের বাকি ২৯২টি শহরের সঙ্গে চট্টগ্রামও হারিয়ে যাবে জলের অতলে, ১০০ বছর পর। সমুদ্রের পানির স্তর যেভাবে বাড়ছে, তাতে চট্টগ্রামকে বাঁচানো আর সম্ভব হবে না।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রতি ১০ বছর অন্তর ১ দশমিক ৪ সেন্টিমিটার পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম শহর। এই হারে পানি বাড়তে বাড়তে আগামী ১০০ বছরের মধ্যেই চট্টগ্রাম শহর থাকবে ১৪ দশমিক ০১ সেন্টিমিটার পানির নিচে। অর্থাৎ তখন আর এই শহরের কোথাও শুকনো মাটির অস্তিত্বই থাকবে না। সবচেয়ে বেশি আশংকার মধ্যে রয়েছে জাপানের টোকিও শহর।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ আর তার লাগোয়া এলাকাগুলোর অবস্থাও হবে করুণ। সমুদ্রের পানির স্তর আর ১ মিটার বাড়লেই ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তত ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা সমুদ্রের অতলে তলিয়ে যাবে। উষ্ণায়নের জন্য পৃথিবীর সমুদ্রতল কতটা উঠতে পারে ১০ এবং ১০০ বছর পর, তার পূর্বাভাস দিতে গ্র্যাডিয়েন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাপিং (জিএফএম) প্রযুক্তি এনেছে নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি (জেপিএল)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১শ বছরের মধ্যে ডুবে যাবে চট্টগ্রাম!

আপডেট সময় ০৪:৩৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

হিমবাহ ও দুই মেরুর বরফ দ্রুত গলছে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে থাকায় আগামী ১০০ বছরের মধ্যে ছোটবড় সব মিলিয়ে বিশ্বের ২৯৩টি শহর পুরোপুরি পানির নিচে ডুবে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা এই আশঙ্কা করেছেন। তালিকায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নামও রয়েছে।

এছাড়া নিউইয়র্ক, লন্ডন, টোকিও, কলম্বো, মুম্বাই, ব্যাঙ্গালোর, হংকং, সাংহাইসহ আরও বেশ কয়েকটি মেগাসিটির নামও রয়েছে অনিবার্য ধ্বংসের এই তালিকায়। গতকাল রোববার কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘১০০ বছর পর তলিয়ে যাবে এই শহরগুলি! বলছে নাসা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীদের এমন ভয়াবহ আশঙ্কার কথা প্রকাশিত হয়েছে।

চট্টগ্রামের হারিয়ে যাওয়া অনিবার্য, এমন দাবি করে নাসার অন্যতম বিজ্ঞানী সুরেন্দ্র অধিকারী বলছেন, রেহাই পাবে না বাংলাদেশের বন্দর শহর চট্টগ্রামও। বিশ্বের বাকি ২৯২টি শহরের সঙ্গে চট্টগ্রামও হারিয়ে যাবে জলের অতলে, ১০০ বছর পর। সমুদ্রের পানির স্তর যেভাবে বাড়ছে, তাতে চট্টগ্রামকে বাঁচানো আর সম্ভব হবে না।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, প্রতি ১০ বছর অন্তর ১ দশমিক ৪ সেন্টিমিটার পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম শহর। এই হারে পানি বাড়তে বাড়তে আগামী ১০০ বছরের মধ্যেই চট্টগ্রাম শহর থাকবে ১৪ দশমিক ০১ সেন্টিমিটার পানির নিচে। অর্থাৎ তখন আর এই শহরের কোথাও শুকনো মাটির অস্তিত্বই থাকবে না। সবচেয়ে বেশি আশংকার মধ্যে রয়েছে জাপানের টোকিও শহর।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গোটা ভারতীয় উপমহাদেশ আর তার লাগোয়া এলাকাগুলোর অবস্থাও হবে করুণ। সমুদ্রের পানির স্তর আর ১ মিটার বাড়লেই ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তত ১৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা সমুদ্রের অতলে তলিয়ে যাবে। উষ্ণায়নের জন্য পৃথিবীর সমুদ্রতল কতটা উঠতে পারে ১০ এবং ১০০ বছর পর, তার পূর্বাভাস দিতে গ্র্যাডিয়েন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাপিং (জিএফএম) প্রযুক্তি এনেছে নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরি (জেপিএল)।