ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

খুলনায় শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনায় মোবাইল চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে কুদ্দুস নামের এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুর মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে আজ শনিবার ডুমুরিয়া থানায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ডুমুরিয়া উপজেলার উলা বাজারে বাহারুল ইসলামের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে শিশু কুদ্দুস (১৪) কে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাছে বেঁধে বেদম মারপিট করা হয়। পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে ঘটনার সত্যতা পান। এঘটনায় শিশুটির মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে ৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩জনকে নামে ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন নং-নম্বর ২৩।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই চুরির ঘটনায় শিশু কুদ্দুসকে বাহারুল সানা (৩৫)’র নির্দেশে স্থানীয় শাহাবাজ মোল্লার ছেলে রুহুল মোল্লা (৩৫) ও শফিকুল গাজী ছেলে সোহেল গাজী (২২) রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসেন। এরপর উলা গ্রামের ফটিক সরদারের ছেলে বাবর সরদার (৩৪), কাকমারী গ্রামের রাধাকান্ত মন্ডলের ছেলে নওমুসলিম কবির সরদার (২৮) ও মইখালী গ্রামের সুরত মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা (২৩) মিলে মইখালী বাজারের পাশে একটি ফাঁকা জায়গায় গাছের সাথে শিশুকে বেঁধে মারপিট করে ভোর রাতে তার বাড়ির সামনে রেখে আসেন। সকালে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়দের সহাতায় শিশুকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত উলা গ্রামের মোসলেম সরদার (৪৫), সালাম সরদার (৩২) ও শাহিন সরদার (৩০) কে আড়াল করা হয়েছে বলে আহত শিশু কুদ্দুস জানায়। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিল হোসেন বলেন, মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, অভিযান অব্যহত, ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেও ছাড় দেয়া হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

খুলনায় শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ১০:৫১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনায় মোবাইল চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে কুদ্দুস নামের এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুর মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে আজ শনিবার ডুমুরিয়া থানায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ডুমুরিয়া উপজেলার উলা বাজারে বাহারুল ইসলামের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে শিশু কুদ্দুস (১৪) কে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাছে বেঁধে বেদম মারপিট করা হয়। পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে ঘটনার সত্যতা পান। এঘটনায় শিশুটির মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে ৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩জনকে নামে ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন নং-নম্বর ২৩।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই চুরির ঘটনায় শিশু কুদ্দুসকে বাহারুল সানা (৩৫)’র নির্দেশে স্থানীয় শাহাবাজ মোল্লার ছেলে রুহুল মোল্লা (৩৫) ও শফিকুল গাজী ছেলে সোহেল গাজী (২২) রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসেন। এরপর উলা গ্রামের ফটিক সরদারের ছেলে বাবর সরদার (৩৪), কাকমারী গ্রামের রাধাকান্ত মন্ডলের ছেলে নওমুসলিম কবির সরদার (২৮) ও মইখালী গ্রামের সুরত মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা (২৩) মিলে মইখালী বাজারের পাশে একটি ফাঁকা জায়গায় গাছের সাথে শিশুকে বেঁধে মারপিট করে ভোর রাতে তার বাড়ির সামনে রেখে আসেন। সকালে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়দের সহাতায় শিশুকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত উলা গ্রামের মোসলেম সরদার (৪৫), সালাম সরদার (৩২) ও শাহিন সরদার (৩০) কে আড়াল করা হয়েছে বলে আহত শিশু কুদ্দুস জানায়। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিল হোসেন বলেন, মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, অভিযান অব্যহত, ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেও ছাড় দেয়া হবে না।