ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খুলনায় শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনায় মোবাইল চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে কুদ্দুস নামের এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুর মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে আজ শনিবার ডুমুরিয়া থানায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ডুমুরিয়া উপজেলার উলা বাজারে বাহারুল ইসলামের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে শিশু কুদ্দুস (১৪) কে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাছে বেঁধে বেদম মারপিট করা হয়। পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে ঘটনার সত্যতা পান। এঘটনায় শিশুটির মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে ৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩জনকে নামে ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন নং-নম্বর ২৩।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই চুরির ঘটনায় শিশু কুদ্দুসকে বাহারুল সানা (৩৫)’র নির্দেশে স্থানীয় শাহাবাজ মোল্লার ছেলে রুহুল মোল্লা (৩৫) ও শফিকুল গাজী ছেলে সোহেল গাজী (২২) রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসেন। এরপর উলা গ্রামের ফটিক সরদারের ছেলে বাবর সরদার (৩৪), কাকমারী গ্রামের রাধাকান্ত মন্ডলের ছেলে নওমুসলিম কবির সরদার (২৮) ও মইখালী গ্রামের সুরত মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা (২৩) মিলে মইখালী বাজারের পাশে একটি ফাঁকা জায়গায় গাছের সাথে শিশুকে বেঁধে মারপিট করে ভোর রাতে তার বাড়ির সামনে রেখে আসেন। সকালে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়দের সহাতায় শিশুকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত উলা গ্রামের মোসলেম সরদার (৪৫), সালাম সরদার (৩২) ও শাহিন সরদার (৩০) কে আড়াল করা হয়েছে বলে আহত শিশু কুদ্দুস জানায়। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিল হোসেন বলেন, মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, অভিযান অব্যহত, ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেও ছাড় দেয়া হবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

খুলনায় শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ১০:৫১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনায় মোবাইল চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে কুদ্দুস নামের এক শিশুকে নির্যাতনের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুর মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে আজ শনিবার ডুমুরিয়া থানায় ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ তাদের জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ডুমুরিয়া উপজেলার উলা বাজারে বাহারুল ইসলামের একটি মোবাইল ফোনের দোকানে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে শিশু কুদ্দুস (১৪) কে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গাছে বেঁধে বেদম মারপিট করা হয়। পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে ঘটনার সত্যতা পান। এঘটনায় শিশুটির মা শাবানা বেগম বাদী হয়ে ৬জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ২/৩জনকে নামে ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন নং-নম্বর ২৩।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই চুরির ঘটনায় শিশু কুদ্দুসকে বাহারুল সানা (৩৫)’র নির্দেশে স্থানীয় শাহাবাজ মোল্লার ছেলে রুহুল মোল্লা (৩৫) ও শফিকুল গাজী ছেলে সোহেল গাজী (২২) রাত ১১টার দিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসেন। এরপর উলা গ্রামের ফটিক সরদারের ছেলে বাবর সরদার (৩৪), কাকমারী গ্রামের রাধাকান্ত মন্ডলের ছেলে নওমুসলিম কবির সরদার (২৮) ও মইখালী গ্রামের সুরত মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা (২৩) মিলে মইখালী বাজারের পাশে একটি ফাঁকা জায়গায় গাছের সাথে শিশুকে বেঁধে মারপিট করে ভোর রাতে তার বাড়ির সামনে রেখে আসেন। সকালে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়দের সহাতায় শিশুকে উদ্ধার করে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনার সাথে জড়িত উলা গ্রামের মোসলেম সরদার (৪৫), সালাম সরদার (৩২) ও শাহিন সরদার (৩০) কে আড়াল করা হয়েছে বলে আহত শিশু কুদ্দুস জানায়। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানা অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিল হোসেন বলেন, মামলার ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, অভিযান অব্যহত, ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেও ছাড় দেয়া হবে না।