ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

নম্বর ঠিক রেখে আসছে অপারেটর বদলের সুযোগ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:
নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদলের সুযোগ বা এমএনপি সেবার লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার কনসোর্টিয়াম ইনফোজিলিয়ান বিডি-টেলিটেক। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে ওই কনসোর্টিয়ামকে বাংলাদেশে এমএনপি সেবা চালু করতে হবে। অর্থাৎ আগামী এপ্রিলের মধ্যে এই সেবা চালুর বাধ্যবাধকতা রয়েছে লাইসেন্সের শর্তের মধ্যে।
ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, এমএনপি লাইসেন্সের জন্য ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেককে নির্বাচিত করার পর গত ১৫ অক্টোবর সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে। লাইসেন্স অ্যাকুইজিশন ফি এবং কোম্পানি গঠনের জন্য ৩০ দিন সময় দিয়ে গত ১ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়, এই কনসোর্টিয়ামকে এক মাসের মধ্যে লাইসেন্স ফি বাবদ ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।
পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ কোম্পানি গঠন করে বিটিআরসিকে জানাতে হবে। এই সেবা চালু হওয়ার পর গ্রাহকরা ৩০ টাকা ফি দিয়ে নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার অপারেটর বদল হয়ে যাবে। পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে গ্রাহকে ৯০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাবরুর হোসেন এবং ফরেন শেয়ারহোল্ডার টেলিটেক ডিওও স্লোভেনিয়ার প্রতিনিধি টমির হাতে লাইসেন্সের নোটিস তুলে দেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। বর্তমানে ৭২টি দেশে এ সেবা চালু রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের জুন মাসে এ প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ার চার বছর পর তার বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এটি সরকারের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য’।
বহু প্রতীক্ষিত এই সুযোগ তৈরির জন্য ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রথম দফা এমএনপি নীতিমালা অনুমোদন করলেও তাতে লাইসেন্স প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হবে কি না— তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

নম্বর ঠিক রেখে আসছে অপারেটর বদলের সুযোগ

আপডেট সময় ১১:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭
আকাশ আইসিটি ডেস্ক:
নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদলের সুযোগ বা এমএনপি সেবার লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার কনসোর্টিয়াম ইনফোজিলিয়ান বিডি-টেলিটেক। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। লাইসেন্সের শর্ত অনুযায়ী, লাইসেন্স পাওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে ওই কনসোর্টিয়ামকে বাংলাদেশে এমএনপি সেবা চালু করতে হবে। অর্থাৎ আগামী এপ্রিলের মধ্যে এই সেবা চালুর বাধ্যবাধকতা রয়েছে লাইসেন্সের শর্তের মধ্যে।
ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, এমএনপি লাইসেন্সের জন্য ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেককে নির্বাচিত করার পর গত ১৫ অক্টোবর সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে। লাইসেন্স অ্যাকুইজিশন ফি এবং কোম্পানি গঠনের জন্য ৩০ দিন সময় দিয়ে গত ১ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই চিঠিতে বলা হয়, এই কনসোর্টিয়ামকে এক মাসের মধ্যে লাইসেন্স ফি বাবদ ১০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।
পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ কোম্পানি গঠন করে বিটিআরসিকে জানাতে হবে। এই সেবা চালু হওয়ার পর গ্রাহকরা ৩০ টাকা ফি দিয়ে নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার অপারেটর বদল হয়ে যাবে। পুনরায় অপারেটর পরিবর্তন করতে হলে গ্রাহকে ৯০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ইনফোজিলিয়ন বিডি-টেলিটেক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাবরুর হোসেন এবং ফরেন শেয়ারহোল্ডার টেলিটেক ডিওও স্লোভেনিয়ার প্রতিনিধি টমির হাতে লাইসেন্সের নোটিস তুলে দেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান। বর্তমানে ৭২টি দেশে এ সেবা চালু রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৩ সালের জুন মাসে এ প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ার চার বছর পর তার বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে। এটি সরকারের একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য’।
বহু প্রতীক্ষিত এই সুযোগ তৈরির জন্য ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রথম দফা এমএনপি নীতিমালা অনুমোদন করলেও তাতে লাইসেন্স প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হবে কি না— তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।