ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

আপডেট সময় ০২:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।