ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দিয়েছেন: হাসনাত আবদুল্লাহ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির বর্ষপূতি: শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগোতে হবে: ডা. জুবাইদা লুটপাটের জন্য ছাত্রজনতা রক্ত দেয়নি: হাসনাত আবদুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আঘাত না হানলে আজ ইসরাইলের অস্তিত্ব থাকত না: ডোনাল্ড ট্রাম্প রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা গণতন্ত্র না থাকায় অনেক এলাকার সমস্যা গুরুত্ব পায়নি: ডেপুটি স্পিকার ছাত্র-জনতার অধিকার রক্ষায় দলীয় প্রভাবমুক্ত রাষ্ট্রকাঠামো গড়ার বিকল্প নেই:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্কুলমুখী করতে সাড়ে তিন লাখ শিশুকে স্কুল ড্রেস দেবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ, চোখে গুরুতর আঘাত পেলেন যাত্রী

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

আপডেট সময় ০২:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।