ঢাকা ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

আপডেট সময় ০২:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।