ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

স্ত্রীর পাঠানো মেসেজে সাড়া না দেয়ায় ডিভোর্স

আপডেট সময় ০২:১৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আপনি কি কখনও আপনার স্বামী বা স্ত্রীর পাঠানো টেক্সট মেসেজ উপেক্ষা করেছেন? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। কারণ এই ছোট্ট ঘটনাটাও কিন্তু আপনার বিচ্ছেদের কারণ হতে পারে। খবর বিবিসির।

তাইওয়ানে এক নারী অভিযোগ এনেছিলেন যে তার স্বামী তার পাঠানো মেসেজের কোনো সাড়া দেননি। তিনি তাকে উপেক্ষা করেছেন। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত ওই নারীকে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছে।ওই নারীর পাঠানো মেসেজ পড়া হয়েছে কি না ইন্ডিকেটর ব্যবহার করে তিনি প্রমাণ তা প্রমাণ করেছেন। এর মাধ্যমে তার স্বামী তাকে উপেক্ষা করেছে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।ওই বিশেষ ধরনের অ্যাপস-এর সাহায্যে দেখা গেছে তার স্বামী মেসেজগুলো পড়েছিলেন কিন্তু কোনওটারই উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি তিনি।

ব্লু-টিকিং পদ্ধতির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাঠানো কোনও বার্তা পড়া হয়েছে কি না তা বোঝা যায়। হোয়াটসঅ্যাপ বা লাইনের মতো সামাজিক মাধ্যমে মেসেজ পাঠানো হলে কেউ তা দেখেছে কিনা সেটা সহজেই বোঝা যায়। ওই নারীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। এ মাসের শুরুতে আদালতের বিচারক তাই ওই নারীর পক্ষেই রায় দিয়েছেন।

তাইওয়ানের শিনচু জেলার পারিবারিক আদালতের বিচারক বলেছেন, টেক্সট মেসেজগুলো যেভাবে উপেক্ষিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট এই সম্পর্ক আর স্বাভাবিক করার মতো পরিস্থিতি নেই।ছয়মাস ধরে ওই নারী তার স্বামীকে অনেক মেসেজ পাঠিয়েছেন। একবার গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি।

একটা মেসেজে তিনি লেখেন যে, তাকে ইমার্জেন্সিতে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু তখনও তার স্বামী মেসেজের উত্তর দেননি। তার স্বামী অবশ্য একবার তাকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলেন। তবে তারপর তিনি আবার স্ত্রীর পাঠানো মেসেজগুলো উপেক্ষা করতে শুরু করেন।

ওই দম্পতি ২০১২ সালে বিয়ে করেছিলেন। বিচ্ছেদের এই রায়ের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন ওই নারীর স্বামী।