ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে একটি জাপানি কনসোর্টিয়াম। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের পরিচালনার শর্তাবলি নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছর শাহজালাল বিমানবন্দরের ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অন্য কোনো বিমানবন্দর থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার ওপর নিষেধাজ্ঞার শর্ত রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে রাজধানীর আশপাশের বিকল্প বিমানবন্দর তৈরির সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা বা জাইকা এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২১ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করেছে। প্রকল্পের অবকাঠামোগত কাজ দুই বছর আগেই শেষ হলেও পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় টার্মিনালটি এতদিন চালু করা যায়নি। সব ঠিক থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীসেবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত চুক্তির রাজস্ব ভাগাভাগির শর্ত অনুযায়ী, টার্মিনাল পরিচালনা থেকে অর্জিত আয়ের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপানি কনসোর্টিয়াম এবং বাংলাদেশ পাবে ২৭ শতাংশ। তবে আংশিক উদ্বোধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাপ্তির পরিমাণ আরও কম হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। যদিও উড়োজাহাজ অবতরণ ফি, নিরাপত্তা, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও ওভারফ্লাইং চার্জের মতো সার্বভৌম বিষয়গুলো পুরোপুরি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় পরিবর্তন আনার অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একচেটিয়া আধিপত্য কমিয়ে চারটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সুইসপোর্ট, ডানাটা, চেলেবি এভিয়েশন এবং মেনজিস এভিয়েশন অন্যতম। কার্গো হ্যান্ডলিং বিমানের অধীনে থাকলেও যাত্রীসেবা ও লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার লক্ষ্যে এই নতুন ব্যবসায়িক মডেল কার্যকর করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে এই চুক্তির প্রভাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে পর্যালোচনা চলছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির হলেন এ আর হাফিজ উল্লাহ

শাহজালাল তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় জাপানি কনসোর্টিয়ামের বড় অংশীদারত্ব

আপডেট সময় ০৭:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে একটি জাপানি কনসোর্টিয়াম। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পের পরিচালনার শর্তাবলি নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এই চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছর শাহজালাল বিমানবন্দরের ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অন্য কোনো বিমানবন্দর থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার ওপর নিষেধাজ্ঞার শর্ত রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে রাজধানীর আশপাশের বিকল্প বিমানবন্দর তৈরির সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা বা জাইকা এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় ২১ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করেছে। প্রকল্পের অবকাঠামোগত কাজ দুই বছর আগেই শেষ হলেও পরিচালনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় টার্মিনালটি এতদিন চালু করা যায়নি। সব ঠিক থাকলে আগামী ১৬ ডিসেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীসেবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রস্তাবিত চুক্তির রাজস্ব ভাগাভাগির শর্ত অনুযায়ী, টার্মিনাল পরিচালনা থেকে অর্জিত আয়ের ৭৩ শতাংশ পাবে জাপানি কনসোর্টিয়াম এবং বাংলাদেশ পাবে ২৭ শতাংশ। তবে আংশিক উদ্বোধনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাপ্তির পরিমাণ আরও কম হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। যদিও উড়োজাহাজ অবতরণ ফি, নিরাপত্তা, ইমিগ্রেশন, কাস্টমস ও ওভারফ্লাইং চার্জের মতো সার্বভৌম বিষয়গুলো পুরোপুরি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবায় পরিবর্তন আনার অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একচেটিয়া আধিপত্য কমিয়ে চারটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সুইসপোর্ট, ডানাটা, চেলেবি এভিয়েশন এবং মেনজিস এভিয়েশন অন্যতম। কার্গো হ্যান্ডলিং বিমানের অধীনে থাকলেও যাত্রীসেবা ও লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার লক্ষ্যে এই নতুন ব্যবসায়িক মডেল কার্যকর করা হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থে এই চুক্তির প্রভাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে পর্যালোচনা চলছে।