ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খানের উপস্থিতি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন নাকচ করেছেন তিনি নিজেই।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ভোগান্তি, লাগেজ চুরি এবং নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। তার অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় অনেকে তাকে ভালোবেসে ‘ফাটাকেষ্ট’ নামেও ডাকতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে আগের মতো সক্রিয়ভাবে দেখা না যাওয়ায় জনমনে প্রশ্ন ওঠে, তিনি কি তবে বিমানবন্দর ছেড়ে গেছেন? ফেসবুকে তার বদলির গুঞ্জনও ছড়ায়। ফেসবুক ও ইউটিউবে তার বদলির গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি কমাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তবে সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে নওশাদ খান স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এখনও বিমানবন্দরের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে তিনি ঢাকার এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে বডি ক্যামেরার ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি স্থাপনের মতো উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কর্মীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তিনি প্রবাসীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। এতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়বে বলে আশা তৈরি হয়েছিল।

সম্প্রতি বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে আবারও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট এবং মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব ও জমজমের পানি নিয়ে উত্তেজনার মতো ঘটনাগুলো যাত্রীদের ক্ষোভ বাড়িয়ে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে জানতে চেয়েছেন, সেই পরিচিত ম্যাজিস্ট্রেট এখন কোথায় এবং কেন যাত্রীদের সমস্যার বিরুদ্ধে আগের মতো সোচ্চার দেখা যাচ্ছে না।

এসব প্রশ্নের জবাবে নওশাদ খান বলেন, তিনি বিমানবন্দরে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন এবং একটু আগেই লাগেজের বিষয়ে কাজ শেষ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম উপস্থিত থাকার কারণ হিসেবে তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এড়িয়ে চলেন। তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেটে অনেক তথ্য ছড়ালেও নির্দিষ্ট অভিযোগ না পেলে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন। তাই তিনি যাত্রীদের অনুরোধ করেছেন যেন কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তারা সরাসরি কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানান, যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালাল বিমানবন্দরে ট্রলি সংকট: দীর্ঘ ভোগান্তিতে যাত্রীসাধারণ

শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান

আপডেট সময় ০৮:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী ভোগান্তি, লাগেজ চুরি এবং নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। তার অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় অনেকে তাকে ভালোবেসে ‘ফাটাকেষ্ট’ নামেও ডাকতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাকে আগের মতো সক্রিয়ভাবে দেখা না যাওয়ায় জনমনে প্রশ্ন ওঠে, তিনি কি তবে বিমানবন্দর ছেড়ে গেছেন? ফেসবুকে তার বদলির গুঞ্জনও ছড়ায়। ফেসবুক ও ইউটিউবে তার বদলির গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি কমাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তবে সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে নওশাদ খান স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এখনও বিমানবন্দরের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে তিনি ঢাকার এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে বডি ক্যামেরার ব্যবহার এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি স্থাপনের মতো উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কর্মীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তিনি প্রবাসীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। এতে বিমানবন্দরের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়বে বলে আশা তৈরি হয়েছিল।

সম্প্রতি বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে আবারও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। লাগেজ পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা, ট্রলির সংকট এবং মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব ও জমজমের পানি নিয়ে উত্তেজনার মতো ঘটনাগুলো যাত্রীদের ক্ষোভ বাড়িয়ে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে জানতে চেয়েছেন, সেই পরিচিত ম্যাজিস্ট্রেট এখন কোথায় এবং কেন যাত্রীদের সমস্যার বিরুদ্ধে আগের মতো সোচ্চার দেখা যাচ্ছে না।

এসব প্রশ্নের জবাবে নওশাদ খান বলেন, তিনি বিমানবন্দরে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন এবং একটু আগেই লাগেজের বিষয়ে কাজ শেষ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম উপস্থিত থাকার কারণ হিসেবে তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এড়িয়ে চলেন। তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেটে অনেক তথ্য ছড়ালেও নির্দিষ্ট অভিযোগ না পেলে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন। তাই তিনি যাত্রীদের অনুরোধ করেছেন যেন কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তারা সরাসরি কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানান, যাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।