ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকেন্দ্রিক চার দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে বেশ ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ মোট ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এসব তথ্য জানান।

মাহদী আমিন জানান, সাধারণ পরিষদের মূল কর্মসূচির বাইরেও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচি, সাইডলাইনে চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক শান্তিসহ নানা বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে চায় সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ককে আমরা নতুন পর্যায়ে ন।

সফরের উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জেপি মরগান চেজ আয়োজিত প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মানবাধিকারের বিষয়ে মাহদী জানান, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। একই দিনে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশ কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসব বৈঠকে জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, খনিজ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো প্রধানমন্ত্রীকে তাদের দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সামগ্রিক কার্যক্রমের বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচির মধ্যে পাঁচটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিব, মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত, শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। এছাড়াও গেটস ফাউন্ডেশন এবং স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া হয়েছে। আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক আলোচনা ছিল অন্যতম।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ডা. জুবাইদা রহমানও এই সফরে আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং চারটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স, ফার্স্ট স্পাউসেস ডায়ালগ এবং মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠানগুলো ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ডা. জুবাইদার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

সামগ্রিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা এই চার দিনে প্রায় ৮০টি বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, একটি ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে এই সফরে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গণতান্ত্রিক সরকারের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে আরও সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় তিনজনের মৃত অবস্থায় পাওয়ার

নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর

আপডেট সময় ১১:১৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকেন্দ্রিক চার দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে বেশ ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ মোট ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এসব তথ্য জানান।

মাহদী আমিন জানান, সাধারণ পরিষদের মূল কর্মসূচির বাইরেও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচি, সাইডলাইনে চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক শান্তিসহ নানা বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে চায় সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ককে আমরা নতুন পর্যায়ে ন।

সফরের উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরে মাহদী আমিন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জেপি মরগান চেজ আয়োজিত প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

মানবাধিকারের বিষয়ে মাহদী জানান, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে। একই দিনে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশ কুয়েত, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসব বৈঠকে জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, খনিজ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো প্রধানমন্ত্রীকে তাদের দেশে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সামগ্রিক কার্যক্রমের বর্ণনা দিয়ে তিনি জানান, সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচির মধ্যে পাঁচটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন। এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিব, মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত, শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। এছাড়াও গেটস ফাউন্ডেশন এবং স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া হয়েছে। আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক আলোচনা ছিল অন্যতম।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ডা. জুবাইদা রহমানও এই সফরে আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং চারটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স, ফার্স্ট স্পাউসেস ডায়ালগ এবং মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য বিষয়ক অনুষ্ঠানগুলো ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ডা. জুবাইদার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

সামগ্রিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা এই চার দিনে প্রায় ৮০টি বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, একটি ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে এই সফরে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। গণতান্ত্রিক সরকারের এই ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে আরও সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তারা।