ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আগুনে আর ঘি ঢালবেন না: হৃতিককে কেন বললেন কঙ্গনা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

বলিউডের বহুল আলোচিত হৃতিক রোশন ও কঙ্গনা রানাউতের প্রায় এক দশক পুরোনো বিরোধ আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘উই নিড টু অ্যাপোলজাইজ টু হৃতিক’ শিরোনামে একটি ট্রেন্ড ভাইরাল হওয়ার পর দুজনই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত লেখক ফ্রেডি বার্ডির একটি পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, পৃথিবীর উচিত হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ২০১৬ সালের হৃতিক-কঙ্গনা বিরোধ নতুন করে আলোচনা শুরু করেন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হৃতিক রোশন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচলিত মতামতের ওপর নির্ভর করে কোনো পক্ষ নেওয়া উচিত নয়। তিনি লেখেন, শুধু একজনকে অপছন্দ করেন বলে আরেকজনের পক্ষ নেওয়া আমাদের সমাজের বড় সমস্যার একটি অংশ। আমি পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট ও তথ্য জানার পরই মতামত দিতে চাই।

হৃতিকের এই মন্তব্যও দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই এটিকে কঙ্গনার সঙ্গে তার পুরোনো বিরোধের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃতিকের মন্তব্যের প্রতিবেদন শেয়ার করে পালটা জবাব দেন কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেন, হৃতিক এখন অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী সাবা আজাদের সঙ্গে সুখে আছেন, তাই পুরোনো বিতর্ককে আর উসকে না দেওয়াই ভালো। পাশাপাশি নিজের নাম ব্যবহার করে যারা তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও হৃতিকের অবস্থান নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন কঙ্গনা। তিনি হৃতিককে ‘আগুনে আর ঘি না ঢালার’ আহ্বান জানান।

সম্প্রতি কঙ্গনার সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মুখপাত্র সৌরভ দাসের বাকবিতণ্ডার পর নতুন করে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সৌরভ দাস মজা করে বলেছিলেন, তার বন্ধুরা মনে করেন তিনি তরুণ বয়সের হৃতিক রোশনের মতো দেখতে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মিম ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরোনো বিরোধ আবার সামনে চলে আসে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাউত হৃতিক রোশনকে তার ‘সিলি এক্স’ বলে উল্লেখ করলে দুজনের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ শুরু হয়। হৃতিক সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করলে বিষয়টি আইনি নোটিশ, পালটা-পালটি অভিযোগ ও দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে গড়ায়। প্রায় এক দশক পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সূত্রে সেই বিতর্ক বারবার ফিরে আসছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আগুনে আর ঘি ঢালবেন না: হৃতিককে কেন বললেন কঙ্গনা

আপডেট সময় ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

বলিউডের বহুল আলোচিত হৃতিক রোশন ও কঙ্গনা রানাউতের প্রায় এক দশক পুরোনো বিরোধ আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘উই নিড টু অ্যাপোলজাইজ টু হৃতিক’ শিরোনামে একটি ট্রেন্ড ভাইরাল হওয়ার পর দুজনই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত লেখক ফ্রেডি বার্ডির একটি পোস্ট থেকে। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, পৃথিবীর উচিত হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ২০১৬ সালের হৃতিক-কঙ্গনা বিরোধ নতুন করে আলোচনা শুরু করেন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হৃতিক রোশন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচলিত মতামতের ওপর নির্ভর করে কোনো পক্ষ নেওয়া উচিত নয়। তিনি লেখেন, শুধু একজনকে অপছন্দ করেন বলে আরেকজনের পক্ষ নেওয়া আমাদের সমাজের বড় সমস্যার একটি অংশ। আমি পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট ও তথ্য জানার পরই মতামত দিতে চাই।

হৃতিকের এই মন্তব্যও দ্রুত ভাইরাল হয়। অনেকেই এটিকে কঙ্গনার সঙ্গে তার পুরোনো বিরোধের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃতিকের মন্তব্যের প্রতিবেদন শেয়ার করে পালটা জবাব দেন কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেন, হৃতিক এখন অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী সাবা আজাদের সঙ্গে সুখে আছেন, তাই পুরোনো বিতর্ককে আর উসকে না দেওয়াই ভালো। পাশাপাশি নিজের নাম ব্যবহার করে যারা তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আক্রমণ করছেন, তাদের বিরুদ্ধেও হৃতিকের অবস্থান নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন কঙ্গনা। তিনি হৃতিককে ‘আগুনে আর ঘি না ঢালার’ আহ্বান জানান।

সম্প্রতি কঙ্গনার সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) মুখপাত্র সৌরভ দাসের বাকবিতণ্ডার পর নতুন করে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সৌরভ দাস মজা করে বলেছিলেন, তার বন্ধুরা মনে করেন তিনি তরুণ বয়সের হৃতিক রোশনের মতো দেখতে। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মিম ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরোনো বিরোধ আবার সামনে চলে আসে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাউত হৃতিক রোশনকে তার ‘সিলি এক্স’ বলে উল্লেখ করলে দুজনের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ শুরু হয়। হৃতিক সম্পর্কের অভিযোগ অস্বীকার করলে বিষয়টি আইনি নোটিশ, পালটা-পালটি অভিযোগ ও দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে গড়ায়। প্রায় এক দশক পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার সূত্রে সেই বিতর্ক বারবার ফিরে আসছে।