ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র আনিসুল ‘শঙ্কামুক্ত’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি এখন অনেকটা শঙ্কামুক্ত। আগামী কিছু দিনের মধ্যে তাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ কেবিনে নেয়া হতে পারে। ‘চিকিৎসকরা জানিয়েছেন রোগ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।’ এই তথ্য জানিয়েছেন মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাবিদ হক।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে মেয়র মহোদয় আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মেয়র মহোদয়ের শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে। আমরা আশা করছি তিনি তাড়াতাড়িই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক জানান, দিনের বেলা আনিসুল হক স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস নিচ্ছেন। তবে ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকরা রাতে তাকে কৃত্রিম সহায়তা (ভেন্টিলেশন) দিয়ে রাখছেন। রুবানা হক বলেন, শারীরিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্বাসনের (রিহাব) কাজ শুরু হবে। সেই পুনর্বাসন কোথায় কীভাবে করলে ভালো হয় তা নিয়ে তারা ভাবছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেয়র আনিসুল ‘শঙ্কামুক্ত’

আপডেট সময় ০৩:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি এখন অনেকটা শঙ্কামুক্ত। আগামী কিছু দিনের মধ্যে তাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ কেবিনে নেয়া হতে পারে। ‘চিকিৎসকরা জানিয়েছেন রোগ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে।’ এই তথ্য জানিয়েছেন মেয়র আনিসুল হকের ছেলে নাবিদ হক।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামী দুই মাসের মধ্যে মেয়র মহোদয় আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মেয়র মহোদয়ের শারীরিক অবস্থার বেশ উন্নতি হয়েছে। তিনি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবেন খুব অল্প সময়ের মধ্যে। আমরা আশা করছি তিনি তাড়াতাড়িই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।’

আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক জানান, দিনের বেলা আনিসুল হক স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস নিচ্ছেন। তবে ঝুঁকি এড়াতে চিকিৎসকরা রাতে তাকে কৃত্রিম সহায়তা (ভেন্টিলেশন) দিয়ে রাখছেন। রুবানা হক বলেন, শারীরিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্বাসনের (রিহাব) কাজ শুরু হবে। সেই পুনর্বাসন কোথায় কীভাবে করলে ভালো হয় তা নিয়ে তারা ভাবছেন।