ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। আর অভ্যন্তরীণ ঋণ ১২ লাখ ৪৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা।

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. গোলাম রুহুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরকার কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১০.৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করে ঋণনির্ভরতা কমানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ঋণ ব্যবস্থাপনার ব্যয় ও ঝুঁকি কমাতে এবং ঋণ কার্যক্রমকে পরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালনার জন্য সরকার মিডিয়াম-টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে।

আমির খসরু বলেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায়ও উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন বৃদ্ধি পেলে রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ঋণের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে। সুদ ব্যয়ের চাপ কমাতে সরকার ইনভেস্টমেন্ট প্রোফাইল ডাইভারসিফিকেশনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সুকুক, অ্যাসেট সিকিউরিটাইজেশনসহ বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উৎস থেকে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করলেও কনসেশনাল লোন বা স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় অর্থ বিভাগ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ঋণের স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নে ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস পরিচালনা; রফতানি আয়, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদার করা; সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের দায়দেনার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারের মোট ঋণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪০:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২২ লাখ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩১১ কোটি টাকা। আর অভ্যন্তরীণ ঋণ ১২ লাখ ৪৭ হাজার ১৫১ কোটি টাকা।

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. গোলাম রুহুলের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরকার কর ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব আয় বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১০.৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করে ঋণনির্ভরতা কমানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ঋণ ব্যবস্থাপনার ব্যয় ও ঝুঁকি কমাতে এবং ঋণ কার্যক্রমকে পরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালনার জন্য সরকার মিডিয়াম-টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক ঋণ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সুসংগঠিত হবে।

আমির খসরু বলেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায়ও উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি বিনিয়োগের রিটার্ন বৃদ্ধি পেলে রাজস্ব আদায় বাড়বে এবং বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে ঋণের প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে। সুদ ব্যয়ের চাপ কমাতে সরকার ইনভেস্টমেন্ট প্রোফাইল ডাইভারসিফিকেশনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে সুকুক, অ্যাসেট সিকিউরিটাইজেশনসহ বিকল্প অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উৎস থেকে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করলেও কনসেশনাল লোন বা স্বল্পসুদে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের ক্রমবর্ধমান চাপ মোকাবিলায় অর্থ বিভাগ বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ঋণের স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি মূল্যায়নে ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস পরিচালনা; রফতানি আয়, প্রবাসী আয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির উদ্যোগ জোরদার করা; সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের দায়দেনার ওপর নজরদারি বৃদ্ধি।