ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চার দিন নিখোঁজ থাকার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থী শহিদুল আলমের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় শহিদুলের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। গত ১২ জুন চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর গ্রিন ভিউ আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাঁর খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

নগরীর পাহাড়তলী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে শহীদুল আলমের মরদেহ নৌ পুলিশ উদ্ধার করে। লাশটি অর্ধগলিত ছিল। কয়েকদিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। সুরতহাল করার সময় তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। শরীর স্বাভাবিক ছিল। মরদেহের গায়ে থাকা পোশাকের মিল ছিল। পরিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ বুঝে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এসআই নুরুল আমিন বলেন, শহিদুল নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থেকে তাঁর সন্ধান চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে অনেক প্রতারক পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশ কয়েকটি নম্বর যাচাই করেছে। লাকসামের একটি প্রতারক চক্র ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছে।

এ বিষয়ে শহীদুলের চাচা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘শহীদুল নিখোঁজের পর ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন এসেছিল। আমরা সেটি পুলিশকে জানিয়েছি। তার কোনো শত্রু ছিল না। তারপরও কেন তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো তা তদন্ত করে দেখুক পুলিশ।’

সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের কাচিয়াপাড় ১ নম্বর ওয়ার্ডের হেলা কাজীর বাড়ির সফিকুল আলমের ছোট ছেলে শহিদুল। তিনি গত শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ৩টার দিকে পাহাড়তলী গ্রিন ভিউ বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। তাঁর সর্বশেষ মোবাইল ফোন লোকেশন ছিল বন্দর টোল রোডের ফইল্যাতলি বাজারের চাঁদ হরিদাস এলাকা। তারপর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এটি সাগরতীরে হওয়ায় সেখানে তাঁর মৃত্যু হয় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। পরে লাশ ভাসতে ভাসতে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী উপকূলে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নৌ পুলিশ সীতাকুণ্ডে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ

আপডেট সময় ১০:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চার দিন নিখোঁজ থাকার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থী শহিদুল আলমের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় শহিদুলের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। গত ১২ জুন চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর গ্রিন ভিউ আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাঁর খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

নগরীর পাহাড়তলী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে শহীদুল আলমের মরদেহ নৌ পুলিশ উদ্ধার করে। লাশটি অর্ধগলিত ছিল। কয়েকদিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। সুরতহাল করার সময় তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। শরীর স্বাভাবিক ছিল। মরদেহের গায়ে থাকা পোশাকের মিল ছিল। পরিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ বুঝে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এসআই নুরুল আমিন বলেন, শহিদুল নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থেকে তাঁর সন্ধান চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে অনেক প্রতারক পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশ কয়েকটি নম্বর যাচাই করেছে। লাকসামের একটি প্রতারক চক্র ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছে।

এ বিষয়ে শহীদুলের চাচা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘শহীদুল নিখোঁজের পর ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন এসেছিল। আমরা সেটি পুলিশকে জানিয়েছি। তার কোনো শত্রু ছিল না। তারপরও কেন তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো তা তদন্ত করে দেখুক পুলিশ।’

সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের কাচিয়াপাড় ১ নম্বর ওয়ার্ডের হেলা কাজীর বাড়ির সফিকুল আলমের ছোট ছেলে শহিদুল। তিনি গত শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ৩টার দিকে পাহাড়তলী গ্রিন ভিউ বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। তাঁর সর্বশেষ মোবাইল ফোন লোকেশন ছিল বন্দর টোল রোডের ফইল্যাতলি বাজারের চাঁদ হরিদাস এলাকা। তারপর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এটি সাগরতীরে হওয়ায় সেখানে তাঁর মৃত্যু হয় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। পরে লাশ ভাসতে ভাসতে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী উপকূলে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নৌ পুলিশ সীতাকুণ্ডে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।