ঢাকা ১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন শাহরাস্তিতে ধর্ষণের শিকার শিশু ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, অভিযুক্ত আটক সংসদে প্রবেশে মাথা ঝোঁকানোতে আপত্তি জামায়াত এমপির বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান কারাগারে খেলা শেষ হওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ ইরানকে নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করলে ইরানে নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করতে চান শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী

নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চার দিন নিখোঁজ থাকার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থী শহিদুল আলমের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় শহিদুলের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। গত ১২ জুন চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর গ্রিন ভিউ আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাঁর খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

নগরীর পাহাড়তলী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে শহীদুল আলমের মরদেহ নৌ পুলিশ উদ্ধার করে। লাশটি অর্ধগলিত ছিল। কয়েকদিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। সুরতহাল করার সময় তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। শরীর স্বাভাবিক ছিল। মরদেহের গায়ে থাকা পোশাকের মিল ছিল। পরিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ বুঝে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এসআই নুরুল আমিন বলেন, শহিদুল নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থেকে তাঁর সন্ধান চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে অনেক প্রতারক পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশ কয়েকটি নম্বর যাচাই করেছে। লাকসামের একটি প্রতারক চক্র ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছে।

এ বিষয়ে শহীদুলের চাচা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘শহীদুল নিখোঁজের পর ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন এসেছিল। আমরা সেটি পুলিশকে জানিয়েছি। তার কোনো শত্রু ছিল না। তারপরও কেন তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো তা তদন্ত করে দেখুক পুলিশ।’

সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের কাচিয়াপাড় ১ নম্বর ওয়ার্ডের হেলা কাজীর বাড়ির সফিকুল আলমের ছোট ছেলে শহিদুল। তিনি গত শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ৩টার দিকে পাহাড়তলী গ্রিন ভিউ বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। তাঁর সর্বশেষ মোবাইল ফোন লোকেশন ছিল বন্দর টোল রোডের ফইল্যাতলি বাজারের চাঁদ হরিদাস এলাকা। তারপর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এটি সাগরতীরে হওয়ায় সেখানে তাঁর মৃত্যু হয় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। পরে লাশ ভাসতে ভাসতে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী উপকূলে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নৌ পুলিশ সীতাকুণ্ডে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য ‘আশার আলো’ : সাইমন ড্যানজাক

নিখোঁজের চার দিন পর সাগরতীরে মিলল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর লাশ

আপডেট সময় ১০:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চার দিন নিখোঁজ থাকার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের (আইআইইউসি) শিক্ষার্থী শহিদুল আলমের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল করার সময় শহিদুলের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। গত ১২ জুন চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর গ্রিন ভিউ আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকেই তাঁর খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

নগরীর পাহাড়তলী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে সীতাকুণ্ডের সাগরতীর থেকে শহীদুল আলমের মরদেহ নৌ পুলিশ উদ্ধার করে। লাশটি অর্ধগলিত ছিল। কয়েকদিন আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। সুরতহাল করার সময় তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। শরীর স্বাভাবিক ছিল। মরদেহের গায়ে থাকা পোশাকের মিল ছিল। পরিবার ময়নাতদন্ত শেষে লাশ বুঝে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এসআই নুরুল আমিন বলেন, শহিদুল নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থেকে তাঁর সন্ধান চেয়ে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করলে অনেক প্রতারক পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করে। পুলিশ কয়েকটি নম্বর যাচাই করেছে। লাকসামের একটি প্রতারক চক্র ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণও দাবি করেছে।

এ বিষয়ে শহীদুলের চাচা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘শহীদুল নিখোঁজের পর ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন এসেছিল। আমরা সেটি পুলিশকে জানিয়েছি। তার কোনো শত্রু ছিল না। তারপরও কেন তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো তা তদন্ত করে দেখুক পুলিশ।’

সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের কাচিয়াপাড় ১ নম্বর ওয়ার্ডের হেলা কাজীর বাড়ির সফিকুল আলমের ছোট ছেলে শহিদুল। তিনি গত শুক্রবার জুমার নামাজ পড়ে বাসায় গিয়ে ৩টার দিকে পাহাড়তলী গ্রিন ভিউ বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। তাঁর সর্বশেষ মোবাইল ফোন লোকেশন ছিল বন্দর টোল রোডের ফইল্যাতলি বাজারের চাঁদ হরিদাস এলাকা। তারপর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এটি সাগরতীরে হওয়ায় সেখানে তাঁর মৃত্যু হয় বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। পরে লাশ ভাসতে ভাসতে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী উপকূলে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নৌ পুলিশ সীতাকুণ্ডে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে।