ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

খুলনায় স্ত্রী হত্যায় দায়ে ফাঁসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা শহরের দৌলতপুর এলাকায় স্ত্রী হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুলনার মহানগর দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী সোমবার পৌনে দুই বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মনির হাওলাদার (৩৫) রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মনির দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা মুন্সিপাড়া এলাকার মুজিবর হাওলাদারের ছেলে।

এপিপি মো. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দার মামলার বরাতে বলেন, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রহিমা বেগমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী মনির হাওলাদার। “হত্যার পর তিনি তালাবদ্ধ করে চলে গেলেও পরদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।”

আদালতের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এপিপি কামরুল বলেন, সেদিনই নিহতের বাবা মো. আব্দুল ওহাব মিয়া হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই বাবলুর রহমান খান ২০১৬ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলায় আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

খুলনায় স্ত্রী হত্যায় দায়ে ফাঁসি

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা শহরের দৌলতপুর এলাকায় স্ত্রী হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুলনার মহানগর দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী সোমবার পৌনে দুই বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মনির হাওলাদার (৩৫) রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মনির দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা মুন্সিপাড়া এলাকার মুজিবর হাওলাদারের ছেলে।

এপিপি মো. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দার মামলার বরাতে বলেন, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রহিমা বেগমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী মনির হাওলাদার। “হত্যার পর তিনি তালাবদ্ধ করে চলে গেলেও পরদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।”

আদালতের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এপিপি কামরুল বলেন, সেদিনই নিহতের বাবা মো. আব্দুল ওহাব মিয়া হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই বাবলুর রহমান খান ২০১৬ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলায় আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করে বলে তিনি জানান।